ইন্ডেক্স ফ্যাক্টর
ইন্ডেক্স ফ্যাক্টর হলো সেই সকল উপাদান যা শেয়ার মার্কেটের প্রতিটি শেয়ারকে কম/বেশি প্রভাবিত করার ক্ষমতা রাখে।
ইনডেক্স ফ্যাক্টরগুলো হলোঃ
১) ইন্টারেস্ট রেট
২) ফরেন এক্সেঞ্জ রেট
৩) রেগুলেটরি পলিসি
৪) রাজনৈতিক অবস্থা
৫) বেকারত্বের হার
৬) যুদ্ধ / বাণিজ্য নিষেধাজ্ঞা
ইনডেক্স ফ্যাক্টরগুলো মারাত্মক কাজ করে। আসুন খুব সংক্ষেপে জেনে নিই কোনটা কি কাজ করে।
১) ইন্টারেস্ট রেটঃ ইন্টারেস্ট রেট বাড়লে শেয়ার মার্কেটের ইনডেক্স কমে আর ইন্টারেস্ট রেট কমলে ইনডেক্স বাড়ে।
২) ফরেন এক্সেঞ্জ রেটঃ ডলারের মুল্য বাড়লে শেয়ার মার্কেটের ইনডেক্স কমে আর ইন্টারেস্ট রেট কমলে ইনডেক্স বাড়ে।
৩) রেগুলেটরি পলিসিঃ আমাদের দেশে (১) বাংলাদেশ সিকিউরিটি এক্সেঞ্জ কমিশন এবং (২) বাংলাদেশ ব্যাংক এর পলিসি ইনডেক্সকে সরাসরি প্রভাবিত করে।
৪) রাজনৈতিক অবস্থাঃ রাজনৈতিক অবস্থা স্থিতিশিল থাকলে মার্কেট স্বাভাবিক আচরণ করে আরে রাজনৈতিক অবস্থা অস্থিতিশিল থাকলে মার্কেটও অস্থিতিশিল হয়ে পড়ে।
৫) বেকারত্বের হারঃ বেকারত্বের হার বাড়লে ইনডেক্স বাড়ে এবং বেকারত্বের হার কমলে ইনডেক্স কমে তবে এর ইফেক্ট পড়ে ধীরে ধীরে।
৬) যুদ্ধ / বাণিজ্য নিষেধাজ্ঞাঃ যুদ্ধ / বাণিজ্য নিষেধাজ্ঞার কারণে ইনডেক্স দ্রুত পড়তে শুরু করে। যুদ্ধ থেমে গেলে / বাণিজ্য নিষেধাজ্ঞা তুলে নিলে ইনডেক্স ধীরে ধীরে উঠতে শুরু করে।
যেসব মার্কেটে শর্টসেল আছে সেখানে ফলাফল নিজের পজিশনের বিপরীতে গেলে দ্রুত পজিশন ক্লোজ করাই ভাল। অতঃপর মার্কেট ও স্টকের ট্রেন্ড বিবেচনায় নতুন পজিশন ওপেন করা ভাল।
যেসব মার্কেটে শর্টসেল নাই সেখানে এসমস্ত পরিস্থিতিতে ট্রেডার/ স্বল্প মেয়াদী/ ছোট বিনিয়োগকারীদের উচিৎ পজিশন ক্লোজ করে প্রমোদ ভ্রমণে বের হওয়া এবং পরিস্থিতির উন্নয়ন বা স্থিতিশীল হলে আবার ট্রেডিং শুরু করা।
এসমস্ত পরিস্থিতিতে একজন মধ্য/দীর্ঘ মেয়াদী বিনিয়োগকারীরা ফান্ডামেন্টাল এনালাইসিসের ভিত্তিতে ভাল হোল্ডিংসগুলো রেখে বাঁকি পজিশন ক্লোজ করে ক্যাশ ধরে রাখতে পারে এবং পরিস্থিতির উন্নয়ন হলে বা পরিস্থিতি স্থিতিশীল হলে ফান্ডামেন্টাল এনালাইসিসের ভিত্তিতে নতুনভাবে বিনিয়োগ শুরু করতে পারে।
প্রশ্ন হতে পারে সবাই বেচবে তো কিনবে কে?
উত্তর হলো যারা এগুলো জানে ও মানে শুধু তারাই বেচবে এবং যারা জানেনা বা মানেনা তারা কিনবে।