এই ব্লগটি সন্ধান করুন

স্টপ লস – টেক প্রফিট (লেভেল-২)

স্টপ লস বলতে সাধারণভাবে লস মেনে নিয়ে লস রিয়েলাইজ করা এবং টেক প্রফিট বলতে প্রফিট রিয়েলাইজ করাকে বোঝায়। 

স্টপ লসঃ একটি ট্রেড নেওয়ার সময় নির্ধারণ করা হয় যে, এই ট্রেডে কত টাকা লস দেখালে বা কত % লস দেখালে বা শেয়ারর দাম কত পর্যন্ত নামলে লস নিয়ে এই শেয়ার থেকে বের হয়ে যাব। লসের এই পরিমাণ বা হার নির্ধারণ করাই হলো স্টপ লস। 

ধরুন একজন এমএ ট্রেডার, তার এসএল-টিপি স্ট্র্যাটেজি হলো এমএ-৯ অর্থাৎ সে ট্রেড নেওয়ার পর স্টক প্রাইস এমএ-৯ এর নীচে চলে গেলে সে স্টপ লস নেবে বা প্রফিট রিয়েলাইজ করবে। আমরা এটা চার্টে দেখে নিই-


মনেকরেন, একজন ১০০ টাকায় একটি শেয়ার কিনল। সে ঠিক করল যে শেয়ারে দাম ৯০ টাকায় নামলে অর্থা ১০% লস হয়ে গেলে সে এই শেয়ার থেকে বের হয়ে যাবে। এক্ষত্রে তার এসএল হলো ৯০ টাকা বা ১০%।    

স্টপ লসের ব্যবহারঃ     
    ট্রেডিং স্ট্যাটেজি তৈরী করতে 
       ট্রেড করতে 
    সেফটি ফাস্ট ধারণা বাস্তবায়নে 

স্টপ লসের সুবিধা অসুবিধাঃ   
    লস মিনিমাইজ হয়
    অধিক ক্ষতির হাত থেকে বাঁচা যায় 
    ক্যাপিটাল রক্ষা পায় 
    ড্যঞ্জারাস ড্র ডাউন এর হাত থেকে বাঁচায় 
    পরবর্তী ট্রেড অপরচুনিটি ধরতে সহায়তা করে  

টেক প্রফিটঃ একটি ট্রেড নেওয়ার সময় নির্ধারণ করা হয় যে, এই ট্রেডে কত টাকা লাভ দেখালে বা কত % লাভ দেখালে বা শেয়ারর দাম কত পর্যন্ত বাড়লে লাভ নিয়ে এই শেয়ার থেকে বের হয়ে যাব। লাভের এই পরিমাণ বা হার নির্ধারণ করাই হলো টেক প্রফিট। 

ধরুন একজন এমএ ট্রেডার, তার এসএল-টিপি স্ট্র্যাটেজি হলো এমএ-৯ অর্থাৎ সে ট্রেড নেওয়ার পর স্টক প্রাইস এমএ-৯ এর নীচে চলে গেলে সে স্টপ লস নেবে বা প্রফিট রিয়েলাইজ করবে। আমরা এটা চার্টে দেখে নিই-

মনেকরেন, একজন ৫০ টাকায় একটি শেয়ার কিনল। সে ঠিক করল যে শেয়ারে দাম যদি ৬০ টাকায় ওঠে অর্থাৎ ২০% দাম বাড়ে তবে সে প্রফিট নিয়ে এই শেয়ার থেকে বের হয়ে যাবে। এক্ষত্রে তার টিপি হলো ৬০ টাকা বা ২০%।    

টেক প্রফিটের ব্যবহারঃ 
    ট্রেডিং স্ট্যাটেজি তৈরী করতে 
      ট্রেড করতে 

টেক প্রফিটের সুবিধা অসুবিধাঃ   
    প্রফিট অপ্টিমাইজ হয়
    ইকুইটি ধারাবাহিকভাবে বাড়তে থাকে 
    ফিক্সড এসএল এর ক্ষেত্রে বড় র‍্যালি মিস হওয়ার সম্ভাবনা থাকে। 
    ফ্লোটিং এসএল বড় র‍্যালিতে কন্টিনিউ করে প্রফিট অপ্টিমাইজ করে ।