এই ব্লগটি সন্ধান করুন

ক্যান্ডেল (লেভেল-২)


ক্যান্ডেলের শ্রেণীবিভাগঃ 

ক্যান্ডেল সাধারণত তিন প্রাকারযথা- 
    ১) বুলিশ বা পজেটিভ ক্যান্ডেল, 
    ২) বিয়ারিশ বা নেগেটিভ ক্যান্ডেল, 
    ৩) ইন্ডিসিশন বা নিরপেক্ষ ক্যান্ডেল  

বুলিশ ক্যান্ডেলকে সবুজ বা সাদা রঙ এবং বিয়ারিশ ক্যান্ডেলকে লাল বা কালো রঙ দ্বারা উপস্থাপন করা হয়

ক্যান্ডেল প্যাটার্নঃ এক বা একাধিক ক্যান্ডেল মিলে একটি ক্যান্ডেল প্যাটার্ণ তৈরী হয়। বিভিন্ন বইতে বিভিন্ন ধরণের ক্যান্ডেল প্যাটার্ণ এর কথা বলা আছে। বহুল প্রচলিত ক্যান্ডেল প্যাটার্ন সমূহ সম্বন্ধে নীচে আলোচনা করা হলো। 

তবে ক্যান্ডেল/ক্যান্ডেল প্যাটার্ণ এর কার্যকারিতা ভেদে কান্ডেলকে/ক্যান্ডেল প্যাটার্ণকে আবার  ৩ ভাগে ভাগ করা যায়। যেমন-
১) নিরপেক্ষ/ইন্ডিসিশন ক্যান্ডেল প্যাটার্ণ = ডোজি, স্পিনিং, হাই ওয়েভ  
২) রিভার্সাল ক্যান্ডেল প্যাটার্ণ - 
    ক) বুলিশ রিভার্সাল ক্যান্ডেল প্যাটার্ণ হলো-  
        ১. বুলিশ হ্যামার, 
        ২. ইনভার্স হ্যামার, 
        ৩. ড্রাগনফ্লাই ডোজি, 
        ৪. বুলিশ এনগালফ, 
        ৫. মর্নিং স্টার, 
        ৬. টুইজার বটম, 
        ৭. থ্রি হুয়াইট সোলজার, 
        ৮. বুলিশ হারামি,
        ৯. পিয়ারসিং প্যাটার্ণ, 
        ১০. থ্রি ইনসাইড আপ ইত্যাদি । 
    খ) বিয়ারিশ রিভার্সাল ক্যান্ডেল প্যাটার্ণ হলো - 
        ১. হ্যাঙ্গিং ম্যান, 
        ২. গ্রেভস্টোন ডোজি 
        ৩. বিয়ারিশ এনগালফ,  
        ৪. ইভিনিং স্টার, 
        ৫. টুইজার টপ, 
        ৬. থ্রী ব্লাক ক্রো,  
        ৭. শুটিং স্টার, 
        ৮. বিয়ারিশ হারামি, 
        ৯. ডার্ক ক্লাউড কাভার,
        ১০. থ্রি ইনসাইড ডাউন ইত্যাদি। 
৩) কন্টিনিউয়েশন ক্যান্ডেল প্যাটার্ণ -  
    ক) বুলিশ কন্টিনিউয়েশন ক্যান্ডেল প্যাটার্ণ হলো- 
        ১. বুলিশ রাইজিং থ্রি, 
        ২. বুলিশ ম্যাট হোল্ড 
        ৩. আপ সাইড তাসুকি গ্যাপ ইত্যাদি। 
    বিয়ারিশ কন্টিনিউয়েশন ক্যান্ডেল প্যাটার্ণ হলো- 
        ১. বিয়ারিশ হারামি, 
        ২. বিয়ারিশ ম্যাট হোল্ড
        ৩. ডাউন সাইড তাসুকি গ্যাপ । 


রিজেকশন ক্যান্ডেলঃ হ্যামার/পিনবার, রিভার্স হ্যামার/পিনবার ড্রাগনফ্লাই/গ্রেভস্টোন ডোজি এই জাতীয় ক্যান্ডেল গুলোর একটা কমন নাম আছে আর সেটা হলো রিজেকশন ক্যান্ডেল। যে দিকে প্রাইস যাচ্ছিল সেদিক রিজেক্ট করে বিপরীত দিকে প্রাইস চলা শুরু করে এজন্য এটাকে প্রাইস রিজেকশন বলে।  


১। ডোজিঃ যখন কোন শেয়ারের ওপেন ও ক্লোজ প্রাইজ একই হয়অর্থাৎ শেয়ার প্রাইস ট্রেডের শুরুতে ও শেষে একই থাকে তখন সেই ক্যান্ডেলকে ডোজি ক্যান্ডেল বলে। এক ক্যান্ডেলেই এই প্যাটার্ণ সম্পন্ন হয়। ডোজি ক্যান্ডেল কয়েক ধরনের হয়ে থাকে। যথা- 

ক) সাধারণ ডোজিঃ 
গঠণঃ 
    ১) ক্যান্ডেলের ওপেন = ক্লোজ, অর্থাৎ ক্যান্ডেলের কোন বডি তৈরী হয় না। 
    ২) শ্যাডোগুলো তেমন বড় হয় না  
    ৩) আগের ক্যান্ডেলগুলোর গড় সাইজের সমান
    ৪) শ্যাডো দুটি মোটামুটি সমান হয়  

ফাংশনঃ নিরপেক্ষ/ইন্ডিসিশন/সিদ্ধান্তহীন ক্যান্ডেল হিসাবে কাজ করে। 

কার্যকারীতাঃ  প্যাটার্ণের কার্যকারীতা ক্ষণস্থায়ী।  

ব্যবহারঃ ট্রেডিং ডিসিশনে ব্যবহার করা হয়। 

খ) লং লেগড ডোজিঃ এই ডোজির শ্যাডোগুলো বেশ বড় হয় বলে একে লং লেগড ডোজি ক্যান্ডেল বলে। 

গঠণঃ 
    ১) ক্যান্ডেলের ওপেন = ক্লোজ, অর্থাৎ ক্যান্ডেলের কোন বডি তৈরী হয় না। 
    ২) শ্যাডো দুটি সমান হতেও পারে নাও পারে তবে দুপাশে শ্যাডো থাকে  
    ৩) ডোজির সাইজ আগের ক্যান্ডেলগুলোর গড় সাইজের চেয়ে বেশ বড় হয় 

ফাংশনঃ একটি নিরপেক্ষ/ইন্ডিসিশন/সিদ্ধান্তহীন ক্যান্ডেল হিসাবে কাজ করে। 

কার্যকারীতাঃ  এই প্যাটার্ণের কার্যকারীতা ক্ষণস্থায়ী।  

ব্যবহারঃ ট্রেডিং ডিসিশনে ব্যবহার করা হয়। 

গ) ড্রাগনফ্লাই ডোজিঃ এটিও এক প্রকার লং লেগড ডোজি। 

গঠণঃ 
    ১) ক্যান্ডেলের ওপেন = ক্লোজ, অর্থাৎ ক্যান্ডেলের কোন বডি তৈরী হয় না।  
    ২) নীচের শ্যডো লম্বা হয় 
    ৩) উপরে খুব সামান্য শ্যাডো থাকতেও পারে আবার নাও থাকতে পারে 
    ৪) দেখতে ইংরেজি টি অক্ষরের মত 
    ৫) এটা বিয়ারিশ সেশনের পর দেখা যায় 

ফাংশনঃ বুলিশ রিভার্সাল হিসাবে কাজ করে, তবে সাইডওয়েতে থাকলে নিরপেক্ষ/ইন্ডিসিশন/সিদ্ধান্তহীন ক্যান্ডেল হিসাবে কাজ করে। 
কার্যকারীতাঃ  ই প্যাটার্ণের কার্যকারীতা সাধারণত ক্ষণস্থায়ী তবে কার্যকর ও নির্ভরযোগ্য। 

ব্যবহারঃ বাই ডিসিশনে ব্যবহার করা হয়। 

ঘ) গ্রেভস্টোন ডোজিঃ এটিও এক প্রকার লং লেগড ডোজি। 

গঠণঃ 
    ১) ক্যান্ডেলের ওপেন = ক্লোজ, অর্থাৎ ক্যান্ডেলের কোন বডি তৈরী হয় না।  
    ২) উপরের শ্যডো লম্বা হয় 
    ৩) নীচে খুব সামান্য শ্যাডো থাকতেও পারে আবার নাও থাকতে পারে 
    ৪) দেখত উলটো ইংরেজি টি অক্ষরের মত 
    ৫) এটা বুলিশ সেশনের পর দেখা যায় 

ফাংশনঃ বিয়ারিশ রিভার্সাল হিসাবে কাজ করে, তবে সাইডওয়েতে থাকলে নিরপেক্ষ/ইন্ডিসিশন/সিদ্ধান্তহীন ক্যান্ডেল হিসাবে কাজ করে। 

কার্যকারীতাঃ  ই প্যাটার্ণের কার্যকারীতা সাধারণত ক্ষণস্থায়ী তবে কার্যকর ও নির্ভরযোগ্য।   

ব্যবহারঃ সেল ডিসিশনে ব্যবহার করা হয়। 

ঙ) স্পিনিংঃ 

গঠণঃ 
    ১) একটি ছোট বডি থাকে, বডি বুলিশ/বিয়ারিশ হতে পারে।  
    ২) দুপাশে প্রায় সমান দুটি শ্যাডো থাকে 
    ৩) শ্যাডোগুলো তেমন বড় হয় না 
    ৪) সাধারণত স্পিনিং এর সাইজ আগের ক্যান্ডেলগুলোর গড় সাইজের কাছাকাছি হয়
    ৫) স্পিনিং টপ বা বটম দুরকমেরই হতে পারে। 

ফাংশনঃ নিরপেক্ষ/ইন্ডিসিশন/সিদ্ধান্তহীন ক্যান্ডেল হিসাবে কাজ করে। 

কার্যকারীতাঃ এর কার্যকারীতা ক্ষণস্থায়ী।  

ব্যবহারঃ ট্রেডিং ডিসিশনে ব্যবহার করা হয়। 

ডোজি ও স্পিনিং এর সুবিধা ও অসুবিধাঃ 
    শর্ট টার্ম ট্রেড ডিসিশনে ব্যবহার করা হয়। 
    মিড বা লং টার্ম ট্রেড ডিসিশনে ব্যবহার উপযোগী নয়। 

ঙ) হাই ওয়েভ ক্যান্ডেলঃ 
গঠণঃ 
    ১) একটি ছোট বডি থাকে অথবা বডি থাকে না, বডি থাকলে বুলিশ/বিয়ারিশ হতে পারে।  
    ২) দুপাশে প্রায় সমান দুটি শ্যাডো থাকে 
    ৩) শ্যাডোগুলো অনেক বড় বড় হয় 
    ৪) সাধারণত হাই ওয়েভ ক্যান্ডেলের সাইজ আগের ক্যান্ডেলগুলোর গড় সাইজের চেয়ে বড় হয়
    ৫) হাই ওয়েভ ক্যান্ডেল বুলিশ বা বিয়ারিস বা সাইডওয়েতে হতে পারে। 

ফাংশনঃ সিদ্ধান্তহীন ও ভোলাটাইল ক্যান্ডেল হিসাবে কাজ করে। 

কার্যকারীতাঃ এর কার্যকারীতা ক্ষণস্থায়ী।  

ব্যবহারঃ ট্রেডিং ডিসিশনে ব্যবহার করা হয়। 

ডোজি ও স্পিনিং এর সুবিধা ও অসুবিধাঃ 
    শর্ট টার্ম ট্রেড ডিসিশনে ব্যবহার করা হয়। 
    মিড বা লং টার্ম ট্রেড ডিসিশনে ব্যবহার উপযোগী নয়। 



২। ক) হ্যামারঃ হ্যামার ও পিন এর গঠণ ও কার্যকারিতা মোটামুটি প্রায় একই। এটা ১ ক্যান্ডেল বিশিষ্ট প্যাটার্ণ ।  
গঠণঃ 
    ১) উপরে একটি ছোট থেকে মাঝারি বডি থাকে  
    ২) নিচের দিকে লম্বা উইকস বা স্যাডো থাকে  
    ৩) হ্যামারের বডি বুলিশ/বিয়ারিশ হতে পারে 
    ৪) এর পূর্বে একটি বিয়ারিশ সেশন থাকতে হবে 

ফাংশনঃ এটা নিরপেক্ষ, তবে ভোলাটাইল ক্যান্ডেল হিসাবে কাজ করে। 

কার্যকারীতাঃ ই প্যাটার্ণের কার্যকারীতা ক্ষণস্থায়ী তবে কার্যকর ও নির্ভরযোগ্য।    

ব্যবহারঃ বাই ডিসিশনে ব্যবহার করা হয় না।  



খ) ইনভার্স হ্যামারঃ এটা ১ ক্যান্ডেল বিশিষ্ট প্যাটার্ণ ।  

গঠণঃ 
    ১) নীচে একটি ছোট থেকে মাঝারি বডি থাকে  
    ২) উপরের দিকে লম্বা উইকস বা স্যাডো থাকে  
    ৩) ইনভার্স হ্যামারের বডি বুলিশ/বিয়ারিশ হতে পারে 
    ৪) এর পূর্বে একটি বিয়ারিশ সেশন থাকতে হবে। 

ফাংশনঃ বুলিশ রিভার্সাল হিসাবে কাজ করে, তবে সাইডওয়েতে থাকলে নিরপেক্ষ/ইন্ডিসিশন/সিদ্ধান্তহীন ক্যান্ডেল হিসাবে কাজ করে। 

কার্যকারীতাঃ ই প্যাটার্ণের কার্যকারীতা সাধারণত ক্ষণস্থায়ী তবে কার্যকর ও নির্ভরযোগ্য।    

ব্যবহারঃ বাই ডিসিশনে ব্যবহার করা হয়। 

হ্যামার এর সুবিধা ও অসুবিধাঃ 
    শর্ট টার্ম (বাই) ট্রেড ডিসিশনে ব্যবহার করা হয়। 
    মিড বা লং টার্ম ট্রেড ডিসিশনে ব্যবহার উপযোগী নয়। 




৩। ক) পিনঃ হ্যামার ও পিন এর গঠণ ও কার্যকারিতা মোটামুটি প্রায় একই। এটা ১ ক্যান্ডেল বিশিষ্ট প্যাটার্ণ ।  
গঠণঃ 
    ১) উপরে একটি সামান্য বডি থাকে  
    ২) নিচের দিকে লম্বা উইকস বা স্যাডো থাকে  
    ৩) পিনের বডি বুলিশ/বিয়ারিশ হতে পারে 
    ৪) এর আগে একটি বিয়ারিশ সেশন থাকতে হবে 

ফাংশনঃ বুলিশ রিভার্সাল হিসাবে কাজ করে, তবে সাইডওয়েতে থাকলে নিরপেক্ষ/ইন্ডিসিশন/সিদ্ধান্তহীন ক্যান্ডেল হিসাবে কাজ করে। 

কার্যকারীতাঃ ই প্যাটার্ণের কার্যকারীতা সাধারণত ক্ষণস্থায়ী তবে কার্যকর ও নির্ভরযোগ্য। 

ব্যবহারঃ বাই ডিসিশনে ব্যবহার করা হয়। 

খ) ইনভার্স পিনঃ এটা ১ ক্যান্ডেল বিশিষ্ট প্যাটার্ণ ।  

গঠণঃ 
    ১) নীচে একটি সামান্য বডি থাকে  
    ২) উপরের দিকে লম্বা উইকস বা স্যাডো থাকে  
    ৩) পিনের বডি বুলিশ/বিয়ারিশ হতে পারে 
    ৪) এর আগে একটি বিয়ারিশ সেশন থাকতে হবে 

ফাংশনঃ বুলিশ রিভার্সাল হিসাবে কাজ করে, তবে সাইডওয়েতে থাকলে নিরপেক্ষ/ইন্ডিসিশন/সিদ্ধান্তহীন ক্যান্ডেল হিসাবে কাজ করে। 

কার্যকারীতাঃ ই প্যাটার্ণের কার্যকারীতা সাধারণত ক্ষণস্থায়ী তবে কার্যকর ও নির্ভরযোগ্য।  

ব্যবহারঃ বাই ডিসিশনে ব্যবহার করা হয়। 

পিন ও ইনভার্স/রিভার্স পিন (শুটিং স্টার) এর সুবিধা ও অসুবিধাঃ 
    শর্ট টার্ম ট্রেড ডিসিশনে ব্যবহার করা হয়। 
    মিড বা লং টার্ম ট্রেড ডিসিশনে ব্যবহার উপযোগী নয়। 



৪। শুটিং স্টারঃ এটা ১ ক্যান্ডেল বিশিষ্ট প্যাটার্ণ ।  
গঠণঃ 
    ১) পুর্ববর্তী সেশন বুলিশ থাকে   
    ২) বুলিশ সেশনের টপে রিভার্স হ্যামার বা পিন দেখা যায়।  
    ৩) এর বডি বুলিশ/বিয়ারিশ হতে পারে। 

ফাংশনঃ বিয়ারিশ রিভার্সাল হিসাবে কাজ করে, তবে সাইডওয়েতে থাকলে নিরপেক্ষ/ইন্ডিসিশন/সিদ্ধান্তহীন ক্যান্ডেল হিসাবে কাজ করে। 

কার্যকারীতাঃ ই প্যাটার্ণের কার্যকারীতা সাধারণত ক্ষণস্থায়ী তবে বেশ কার্যকর ও নির্ভরযোগ্য। 

ব্যবহারঃ সেল ডিসিশনে ব্যবহার করা হয়। 

শুটিং স্টার এর সুবিধা ও অসুবিধাঃ 
    শর্ট টার্ম ট্রেড ডিসিশনে ব্যবহার করা হয়। 
    মিড বা লং টার্ম ট্রেড ডিসিশনে ব্যবহার উপযোগী নয়। 



 হ্যাংগিং ম্যানঃ এটা ১ ক্যান্ডেল বিশিষ্ট প্যাটার্ণ ।  
গঠণঃ 
    ১) পুর্ববর্তী সেশন বুলিশ থাকে   
    ২) বুলিশ সেশনের টপে গ্রীন ক্যান্ডেলের পাশে হ্যামার বা পিন দেখা যায়।  
    ৩) এর বডি বুলিশ/বিয়ারিশ হতে পারে। 

ফাংশনঃ বিয়ারিশ রিভার্সাল হিসাবে কাজ করে, তবে সাইডওয়েতে থাকলে নিরপেক্ষ/ইন্ডিসিশন/সিদ্ধান্তহীন ক্যান্ডেল হিসাবে কাজ করে। 

কার্যকারীতাঃ ই প্যাটার্ণের কার্যকারীতা সাধারণত ক্ষণস্থায়ী তবে বেশ কার্যকর ও নির্ভরযোগ্য। 

ব্যবহারঃ সেল ডিসিশনে ব্যবহার করা হয়। 

হ্যাংগিং ম্যান এর সুবিধা ও অসুবিধাঃ 

    শর্ট টার্ম ট্রেড ডিসিশনে ব্যবহার করা হয়। 
    মিড বা লং টার্ম ট্রেড ডিসিশনে ব্যবহার উপযোগী নয়। 


৫। এনগালফঃ যখন কোন অপেক্ষাকৃত বড় ক্যান্ডেল পূর্বের বিপরীতধর্মী বড় ক্যান্ডেলকে পরিপূর্ণরুপে ঢেকে ফেলে তখন তাকে এনগালফ ক্যান্ডেল বলে। বডি অবশ্যই বডি দিয়ে এনগালফ হতে হবে। এনগালফ ক্যান্ডেল দুই প্রকারযথা- বুলিশ এনগালফ এবং বিয়ারিশ এনগালফ। দুটি ক্যান্ডেল মিলে এই প্যাটার্ণ সম্পন্ন হয়। 

ক) বুলিশ এনগালফঃ বুলিশ এনগালফ ২ ক্যান্ডেল বিশিষ্ট প্যাটার্ণ। 

গঠণঃ 
    ১) পুর্ববর্তী সেশন বিয়ারিশ থাকে  
    ২) বিয়ারিশ সেশনের বটমে পূর্ববর্তী বিয়ারিশ ক্যান্ডেলকে বুলিশ ক্যান্ডেলে ঢেকে ফেলে  

ফাংশনঃ বুলিশ রিভার্সাল হিসাবে কাজ করে, তবে সাইডওয়েতে থাকলে নিরপেক্ষ/ইন্ডিসিশন/সিদ্ধান্তহীন ক্যান্ডেল হিসাবে কাজ করে। 

কার্যকারীতাঃ ই প্যাটার্ণের কার্যকারীতা সাধারণত ক্ষণস্থায়ী। 

ব্যবহারঃ বাই ডিসিশনে ব্যবহার করা হয়। 


খ) বিয়ারিশ এনগালফঃ বিয়ারিশ এনগালফ ২ ক্যান্ডেল বিশিষ্ট প্যাটার্ণ। 

গঠণঃ 
    ১) পুর্ববর্তী সেশন বুলিশ থাকে   
    ২) বুলিশ সেশনের টপে পূর্ববর্তী বুলিশ ক্যান্ডেলকে বিয়ারিশ ক্যান্ডেলে ঢেকে ফেলে 

ফাংশনঃ এটা বিয়ারিশ রিভার্সাল হিসাবে কাজ করে, তবে সাইডওয়েতে থাকলে নিরপেক্ষ/ইন্ডিসিশন/সিদ্ধান্তহীন ক্যান্ডেল হিসাবে কাজ করে। 

কার্যকারীতাঃ ই প্যাটার্ণের কার্যকারীতা সাধারণত ক্ষণস্থায়ী।   

ব্যবহারঃ সেল ডিসিশনে ব্যবহার করা হয়। 

এনগালফ এর সুবিধা ও অসুবিধাঃ 
    শর্ট টার্ম ট্রেড ডিসিশনে ব্যবহার করা হয়। 
    মিড বা লং টার্ম ট্রেড ডিসিশনে ব্যবহার উপযোগী নয়। 




৬। মর্নিং স্টারঃ প্রাইস ট্রেন্ড ডাউনে থাকাকালে মর্নিং স্টার প্যাটার্ণ ফরমেশন হয়। তিনটি ক্যান্ডেল মিলে এই প্যাটার্ণ সম্পন্ন হয়। 
গঠণঃ 
    ১) পুর্ববর্তী সেশন বিয়ারিশ থাকে   
    ২) প্রথম ক্যান্ডেলটি বিয়ারিশ এবং অপেক্ষাকৃত বড় আকারের হয়ে থাকে
    ৩) দ্বিতীয় ক্যান্ডেলটি আপেক্ষাকৃত ছোট ডোজি/স্পিনিং/হ্যামার ক্যান্ডেল হয়ে থাকে 
    ৪) দ্বিতীয় ক্যান্ডেলটি প্রথম ক্যান্ডেলের নীচে অবস্থান করে 
    ৫) তৃতীয় ক্যান্ডেলটি অপেক্ষাকৃত বড় বুলিশ ক্যান্ডেল হয় যা প্রথম ক্যান্ডেলকে নুন্যতম ৮০% এনগালফ করে ফেলে

ফাংশনঃ বুলিশ রিভার্সাল হিসাবে কাজ করে, তবে সাইডওয়েতে দেখা গেলে এটা কোন অর্থ বহন করে না। 

কার্যকারীতাঃ এই প্যাটার্ণ এর কার্যকারীতা ও নির্ভরযোগ্যতা বেশী। ই প্যাটার্ণের কার্যকারীতা সাধারণত স্বল্প থেকে মধ্য মেয়াদী হয়। 

ব্যবহারঃ বাই ডিসিশনে ব্যবহার করা হয়। 

মর্নিং স্টার এর সুবিধা ও অসুবিধাঃ 
    শর্ট টার্ম ও মিড টার্ম বাই ডিসিশন নিতে সাহায্য করে। 
    শর্ট টার্ম ও মিড টার্ম ট্রেন্ড রিভার্সাল সনাক্ত করতে সাহায্য করে। 
    লং টার্ম বাই ডিসিশনে ব্যবহার উপযোগী নয়। 
    লং টার্ম ট্রেন্ড সনাক্তে তেমন উপকারী নয়। 




৭। ইভিনিং স্টারঃ
প্রাইস ট্রেন্ড আপ থাকাকালে ইভিনিং স্টার প্যাটার্ণ ফরমেশন হয়। এটি মর্নিং স্টারের বিপরীত ধর্মী ক্যান্ডেল প্যাটার্ন
। এটিও তিনটি ক্যান্ডেলের সমন্বয়ে গঠিত হয়। 
গঠণঃ 
    ১) পুর্ববর্তী সেশন বুলিশ থাকে   
    ২) প্রথম ক্যান্ডেলটি বুলিশ এবং অপেক্ষাকৃত বড় আকারের হয়ে থাকে
    ৩) দ্বিতীয় ক্যান্ডেলটি আপেক্ষাকৃত ছোট ডোজি/স্পিনিং/রিভার্স হ্যামার/পিন ক্যান্ডেল হয়ে থাকে 
    ৪) দ্বিতীয় ক্যান্ডেলটি প্রথম ক্যান্ডেলের উপরেরদিকে অবস্থান করে 
    ৫) তৃতীয় ক্যান্ডেলটি অপেক্ষাকৃত বড় বিয়ারিশ ক্যান্ডেল হয় যা প্রথম ক্যান্ডেলকে নুন্যতম ৮০% এনগালফ করে ফেলে

ফাংশনঃ বিয়ারিশ রিভার্সাল হিসাবে কাজ করে, তবে সাইডওয়েতে দেখা গেলে এটা কোন অর্থ বহন করে না। 

কার্যকারীতাঃ এই প্যাটার্ণ এর কার্যকারীতা  নির্ভরযোগ্যতা  বেশী। ই প্যাটার্ণের কার্যকারীতা সাধারণত স্বল্প থেকে মধ্য মেয়াদী হয়। 

ব্যবহারঃ সেল ডিসিশনে ব্যবহার করা হয়। 

ইভিনিং স্টার এর সুবিধা ও অসুবিধাঃ 
    শর্ট টার্ম ও মিড টার্ম সেল ডিসিশন নিতে সাহায্য করে। 
    শর্ট টার্ম ও মিড টার্ম ট্রেন্ড রিভার্সাল সনাক্ত করতে সাহায্য করে। 
    লং টার্ম সেল ডিসিশনে ব্যবহার উপযোগী নয়। 
    লং টার্ম ট্রেন্ড সনাক্তে তেমন উপকারী নয়। 



৮। টুইজারঃ টুইজার ইংরেজি শব্দ এর অর্থ সন্না দিয়ে তোলা। এই প্যাটার্ণ দেখতে সন্নার মতই। টুইজার ২ ক্যান্ডেল বিশিষ্ট প্যাটার্ণ। টুইজার টপ ও বটম দুই রকম হতে পারে। 

ক) টুইজার টপঃ টুইজার টপ ২ ক্যান্ডেল বিশিষ্ট প্যাটার্ণ। 
গঠণঃ 
    ১) বুলিশ সেশনের পর গঠিত হতে হবে   
    ২) রিভার্স হ্যামারের মত দেখতে হলেও বডি একটু বড় থাকে। 
    ৩) ১ম ও ২য় ক্যান্ডেলের বডি বুলিশ/বিয়ারিশ হতে পারে। 
    ৪) এর বডি পিনবার-হ্যামার-তার চেয়ে বড় হতে পারে। 

ফাংশনঃ বিয়ারিশ রিভার্সাল হিসাবে কাজ করে, তবে সাইডওয়েতে দেখা গেলে এটা কোন অর্থ বহন করে না। 

কার্যকারীতাঃ এই প্যাটার্ণ এর কার্যকারীতা ও নির্ভরযোগ্যতা বেশী। ই প্যাটার্ণের কার্যকারীতা সাধারণত স্বল্প মেয়াদী হয়। 

ব্যবহারঃ সেল ডিসিশনে ব্যবহার করা হয়। বাস্তবে এই ক্যান্ডেল খুব কমই দেখা পাওয়া যায়।   


খ) টুইজার বটম টুইজার টপ ২ ক্যান্ডেল বিশিষ্ট প্যাটার্ণ। 

গঠণঃ 
    ১) বিয়ারিশ সেশনের পর গঠিত হতে হবে   
    ২) হ্যামারের মত দেখতে হলেও বডি একটু বড় থাকে। 
    ৩) ১ম ও ২য় ক্যান্ডেলের বডি বুলিশ/বিয়ারিশ হতে পারে। 
    ৪) এর বডি পিনবার-হ্যামার-তার চেয়ে বড় হতে পারে। 

ফাংশনঃ বুলিশ রিভার্সাল হিসাবে কাজ করে, তবে সাইডওয়েতে দেখা গেলে এটা কোন অর্থ বহন করে না। 

কার্যকারীতাঃ এই প্যাটার্ণ এর কার্যকারীতা ও নির্ভরযোগ্যতা বেশী। ই প্যাটার্ণের কার্যকারীতা সাধারণত স্বল্প মেয়াদী হয়। 

ব্যবহারঃ সেল ডিসিশনে ব্যবহার করা হয়। বাস্তবে এই ক্যান্ডেল খুব কমই দেখা পাওয়া যায়।  

টুইজার টপ ও বটম এর সুবিধা ও অসুবিধাঃ 
    শর্ট টার্ম ট্রেড ডিসিশন নিতে সাহায্য করে। 
    শর্ট টার্ম ট্রেন্ড রিভার্সাল সনাক্ত করতে সাহায্য করে। 
    লং টার্ম ট্রেড ডিসিশনে ব্যবহার উপযোগী নয়। 
    এই প্যাটার্ণ খুব কম পাওয়া যায়। 

৯। ক) থ্রী হুয়াইট সোলজারঃ থ্রি হুয়াইট সোলজার ৩ ক্যান্ডেল বিশিষ্ট প্যাটার্ণ। 
গঠণঃ 
    ১) বিয়ারিশ সেশনের পর গঠিত হতে হবে   
    ৩) তিনটি ধারবাহিক লং বডির একইরকম সলিড বুলিশ ক্যান্ডেল থাকে 
    ২) ক্যান্ডেলগুলির উপরে সামান্য শ্যাডো থাকতে পারে   

ফাংশনঃ বুলিশ রিভার্সাল হিসাবে কাজ করে তবে এটা যদি মুল্য বৃদ্ধি চলমান অবস্থায় দেখা যায় তবে এটা কন্টিনিওয়েশন হিসাবে কাজ করে, তবে সাইডওয়েতে দেখা গেলে এটা কোন অর্থ বহন করে না। 

কার্যকারীতাঃ এই প্যাটার্ণ এর কার্যকারীতা ও নির্ভরযোগ্যতা মাঝারি। ই প্যাটার্ণের কার্যকারীতা সাধারণত স্বল্প মেয়াদী হয়। 

ব্যবহারঃ বাই ডিসিশনে ব্যবহার করা হয়। 

খ) থ্রী ব্ল্যাক ক্রোঃ থ্রি ব্ল্যাক ক্রো ৩ ক্যান্ডেল বিশিষ্ট প্যাটার্ণ। 
গঠণঃ 
    ১) বুলিশ সেশনের পর গঠিত হতে হবে   
    ৩) তিনটি ধারবাহিক লং বডির একই রকম সলিড বিয়ারিশ ক্যান্ডেল থাকে 
    ২) ক্যান্ডেলগুলির নীচে সামান্য শ্যাডো থাকতে পারে   

ফাংশনঃ বিয়ারিশ রিভার্সাল হিসাবে কাজ করে তবে এটা যদি মুল্য হ্রাস চলমান অবস্থায় দেখা যায় তবে এটা কন্টিনিওয়েশন হিসাবে কাজ করে, তবে সাইডওয়েতে দেখা গেলে এটা কোন অর্থ বহন করে না

কার্যকারীতাঃ এই প্যাটার্ণ এর কার্যকারীতা ও নির্ভরযোগ্যতা মাঝারি। ই প্যাটার্ণের কার্যকারীতা সাধারণত স্বল্প মেয়াদী হয়। 

ব্যবহারঃ সেল ডিসিশনে ব্যবহার করা হয়।  

থ্রী হুয়াইট সোলজার ও থ্রী ব্ল্যাক ক্রো এর সুবিধা ও অসুবিধাঃ 
    শর্ট টার্ম ট্রেড ডিসিশন নিতে সাহায্য করে। 
    শর্ট টার্ম ট্রেন্ড রিভার্সাল সনাক্ত করতে সাহায্য করে। 
    লং টার্ম ট্রেড ডিসিশনে ব্যবহার উপযোগী নয়। 


১০) ক) বুলিশ রাইজিং থ্রিঃ  রাইজিং থ্রি একটি ৫ ক্যান্ডেল বিশিষ্ট প্যাটার্ণ। 
গঠণঃ 
    ১) ১ম ক্যান্ডেল সলিড বুলিশ ক্যান্ডেল থাকে  
    ২) ২য়, ৩য়, ৪র্থ ক্যান্ডেল ছোট ছোট বিয়ারিশ ক্যান্ডেল হয় 
    ৩) ৫ম ক্যান্ডেল সলিড বুলিশ ক্যান্ডেল হয় 

ফাংশনঃ বুলিশ কন্টিনিওয়েশন হিসাবে কাজ করে, তবে সাইডওয়েতে দেখা গেলে এটা কোন অর্থ বহন করে না। 

কার্যকারীতাঃ এই প্যাটার্ণ এর নির্ভরযোগ্যতা ও কার্যকারীতা মাঝারি।  ই প্যাটার্ণের কার্যকারীতা সাধারণত স্বল্প মেয়াদী হয়। 

ব্যবহারঃ বাই ডিসিশনে ব্যবহার করা হয়। 

খ) বিয়ারিশ ফলিং থ্রিঃ  ফলিং থ্রি একটি ৫ ক্যান্ডেল বিশিষ্ট প্যাটার্ণ। 
গঠণঃ 
    ১) ১ম ক্যান্ডেল সলিড বিয়ারিশ ক্যান্ডেল থাকে  
    ২) ২য়, ৩য়, ৪র্থ ক্যান্ডেল ছোট ছোট বুলিশ ক্যান্ডেল হয় 
    ৩) ৫ম ক্যান্ডেল সলিড বিয়ারিশ ক্যান্ডেল হয় 

ফাংশনঃ এটা বিয়ারিশ কন্টিনিওয়েশন হিসাবে কাজ করে, তবে সাইডওয়েতে দেখা গেলে এটা কোন অর্থ বহন করে না। 

কার্যকারীতাঃ এই প্যাটার্ণ এর নির্ভরযোগ্যতা ও কার্যকারীতা মাঝারি।  ই প্যাটার্ণের কার্যকারীতা সাধারণত স্বল্প মেয়াদী হয়। 

ব্যবহারঃ সেল ডিসিশনে ব্যবহার করা হয়। 

বুলিশ/বিয়ারিশ রাইজিং/ফলিং থ্রি এর সুবিধা ও অসুবিধাঃ 
    শর্ট টার্ম ট্রেড (বাই/সেল) সিদ্ধান্ত নিতে সাহায্য করে। 
    শর্ট টার্ম ট্রেন্ড কন্টিনিওয়েশন সনাক্ত করতে সাহায্য করে। 
    লং টার্ম ট্রেড ডিসিশনে ব্যবহার উপযোগী নয়। 




১১) ম্যাট হোল্ডঃ  বুলিশ ম্যাট হোল্ড একটি ৫ ক্যান্ডেল বিশিষ্ট প্যাটার্ণ। এটা বুলিশ বিয়ারিশ ২ রকমেরই হতে পারে। 
ক) বুলিশ ম্যাট হোল্ডঃ  বুলিশ ম্যাট হোল্ড একটি ৫ ক্যান্ডেল বিশিষ্ট প্যাটার্ণ। এটা প্রায় সবদিক থেকে বুলিশ রাইজিং থ্রি এর মত প্যাটার্ণ, শুধু ২য় ক্যান্ডেলে গ্যাপ আপ ওপেনিং থাকে। 
গঠণঃ 
    ১) ১ম ক্যান্ডেল সলিড বুলিশ ক্যান্ডেল থাকে  
    ২) ২য়, ৩য়, ৪র্থ ক্যান্ডেল ছোট ছোট বিয়ারিশ ক্যান্ডেল হয় 
    ৩) ২য় ক্যান্ডেলে গ্যাপ আপ ওপেনিং হয় 
    ৪) ৫ম ক্যান্ডেল বুলিশ সলিড ক্যান্ডেল হয় 
    ৫) ব্যাতিক্রমঃ মাঝের বিয়ারিশ ক্যান্ডেল ২-৪ টা পর্যন্ত হতে পারে 

ফাংশনঃ বুলিশ কন্টিনিওয়েশন হিসাবে কাজ করে, তবে সাইডওয়েতে দেখা গেলে এটা কোন অর্থ বহন করে না। 

কার্যকারীতাঃ এই প্যাটার্ণ এর নির্ভরযোগ্যতা ও কার্যকারীতা মাঝারি।  ই প্যাটার্ণের কার্যকারীতা সাধারণত স্বল্প মেয়াদী হয়। 

ব্যবহারঃ বাই ডিসিশনে ব্যবহার করা হয়। 

খ) বিয়ারিশ ম্যাট হোল্ডঃ বিয়ারিশ ম্যাট হোল্ড একটি ৫ ক্যান্ডেল বিশিষ্ট প্যাটার্ণ। এটা প্রায় সবদিক থেকে বিয়ারিশ ফলিং থ্রি এর মত প্যাটার্ণ, শুধু ২য় ক্যান্ডেলে গ্যাপ ডাউন ওপেনিং থাকে। 
গঠণঃ 
    ১) ১ম ক্যান্ডেল সলিড বিয়ারিশ ক্যান্ডেল থাকে  
    ২) ২য়, ৩য়, ৪র্থ ক্যান্ডেল ছোট ছোট বুলিশ ক্যান্ডেল হয় 
    ৩) ২য় ক্যান্ডেলে গ্যাপ ডাউন ওপেনিং হয় 
    ৪) ৫ম ক্যান্ডেল বুলিশ বিয়ারিশ ক্যান্ডেল হয় 
    ৫) ব্যাতিক্রমঃ মাঝের বুলিশ ক্যান্ডেল ২-৪ টা পর্যন্ত হতে পারে 

ফাংশনঃ বিয়ারিশ কন্টিনিওয়েশন হিসাবে কাজ করে, তবে সাইডওয়েতে দেখা গেলে এটা কোন অর্থ বহন করে না। 

কার্যকারীতাঃ এই প্যাটার্ণ এর নির্ভরযোগ্যতা ও কার্যকারীতা মাঝারি।  ই প্যাটার্ণের কার্যকারীতা সাধারণত স্বল্প মেয়াদী হয়। 

ব্যবহারঃ সেল ডিসিশনে ব্যবহার করা হয়। 

বুলিশ/বিয়ারিশ ম্যাট হোল্ড এর সুবিধা ও অসুবিধাঃ 
    শর্ট টার্ম ট্রেড (বাই/সেল) সিদ্ধান্ত নিতে সাহায্য করে। 
    শর্ট টার্ম ট্রেন্ড কন্টিনিওয়েশন সনাক্ত করতে সাহায্য করে। 
    লং টার্ম ট্রেড ডিসিশনে ব্যবহার উপযোগী নয়। 





১২) হারামিঃ  হারামি হলো ২ ক্যান্ডেল বিশিষ্ট প্যাটার্ণ। এটা বুলিশ বিয়ারিশ ২ রকমেরই হতে পারে। 
ক) বুলিশ হারামিঃ বুলিশ হারামি ২ ক্যান্ডেল বিশিষ্ট প্যাটার্ণ। 
গঠণঃ 
    ১) ১ম ক্যান্ডেল সলিড বিয়ারিশ ক্যান্ডেল থাকে  
    ২) ২য় ক্যান্ডেল ছোট বুলিশ ক্যান্ডেল হয় 
    ৩) ২য় ক্যান্ডেল ১ম ক্যান্ডেলের রেঞ্জে থাকে 
    ৪) ২য় ক্যান্ডেল বুলিশ/বিয়ারিশ হতে পারে 

ফাংশনঃ বুলিশ রিভার্সাল হিসাবে কাজ করে, তবে সাইডওয়েতে দেখা গেলে এটা কোন অর্থ বহন করে না। 

কার্যকারীতাঃ এই প্যাটার্ণ এর নির্ভরযোগ্যতা ও কার্যকারীতা মাঝারি।  ই প্যাটার্ণের কার্যকারীতা সাধারণত স্বল্প মেয়াদী হয়। 

ব্যবহারঃ বাই ডিসিশনে ব্যবহার করা হয়। 


খ) বিয়ারিশ হারামিঃ বিয়ারিশ হারামি ২ ক্যান্ডেল বিশিষ্ট প্যাটার্ণ। 
গঠণঃ 
    ১) ১ম ক্যান্ডেল সলিড বুলিশ ক্যান্ডেল থাকে  
    ২) ২য় ক্যান্ডেল ছোট ছোট বিয়ারিশ ক্যান্ডেল হয় 
    ৩) ২য় ক্যান্ডেল ১ম ক্যান্ডেলের রেঞ্জে থাকে। 
    ৪) ২য় ক্যান্ডেল বুলিশ/বিয়ারিশ হতে পারে 

ফাংশনঃ বিয়ারিশ রিভার্সাল হিসাবে কাজ করে, তবে সাইডওয়েতে দেখা গেলে এটা কোন অর্থ বহন করে না। 

কার্যকারীতাঃ এই প্যাটার্ণ এর নির্ভরযোগ্যতা ও কার্যকারীতা মাঝারি।  ই প্যাটার্ণের কার্যকারীতা সাধারণত স্বল্প মেয়াদী হয়। 

ব্যবহারঃ সেল ডিসিশনে ব্যবহার করা হয়। 

বুলিশ/বিয়ারিশ হারামি এর সুবিধা ও অসুবিধাঃ 
    শর্ট টার্ম ট্রেড (বাই/সেল) সিদ্ধান্ত নিতে সাহায্য করে। 
    শর্ট টার্ম ট্রেন্ড রিভার্সাল সনাক্ত করতে সাহায্য করে। 
    লং টার্ম ট্রেড ডিসিশনে ব্যবহার উপযোগী নয়। 





১৩) ক) পিয়ার্সিং প্যাটার্ণঃ  পিয়ার্সিং হলো ২ ক্যান্ডেল বিশিষ্ট বুলিশ রিভার্সাল প্যাটার্ণ। 
গঠণঃ 
    ১) ১ম ক্যান্ডেল সলিড বিয়ারিশ ক্যান্ডেল থাকে  
    ২) ২য় ক্যান্ডেল সলিড বুলিশ ক্যান্ডেল থাকে 
    ৩) ২য় ক্যান্ডেল ১ম ক্যান্ডেলের ৫০% এর বেশী কাভার করে  
    ৪) এটা বিয়ারিশ সেশনে দেখা যায়।  

ফাংশনঃ বুলিশ রিভার্সাল হিসাবে কাজ করে, তবে সাইডওয়েতে দেখা গেলে এটা কোন অর্থ বহন করে না। 

কার্যকারীতাঃ এই প্যাটার্ণ এর নির্ভরযোগ্যতা ও কার্যকারীতা মাঝারি। ই প্যাটার্ণের কার্যকারীতা সাধারণত স্বল্প মেয়াদী হয়। এটা বুলিশ এনগালফিং ক্যান্ডেলের চেয়ে কম কার্যকর। 

ব্যবহারঃ বাই ডিসিশনে ব্যবহার করা হয়। 



খ) ডার্ক ক্লাউড কাভারঃ  ডার্ক ক্লাউড কাভার হলো ২ ক্যান্ডেল বিশিষ্ট বিয়ারিশ রিভার্সাল প্যাটার্ণ। 
গঠণঃ 
    ১) ১ম ক্যান্ডেল সলিড বুলিশ ক্যান্ডেল থাকে  
    ২) ২য় ক্যান্ডেল সলিড বিয়ারিশ ক্যান্ডেল থাকে 
    ৩) ২য় ক্যান্ডেল ১ম ক্যান্ডেলের ৫০% এর বেশী কাভার করে  
    ৪) এটা বুলিশ সেশনে দেখা যায়।  

ফাংশনঃ বুলিশ রিভার্সাল হিসাবে কাজ করে, তবে সাইডওয়েতে দেখা গেলে এটা কোন অর্থ বহন করে না। 

কার্যকারীতাঃ এই প্যাটার্ণ এর নির্ভরযোগ্যতা ও কার্যকারীতা মাঝারি। ই প্যাটার্ণের কার্যকারীতা সাধারণত স্বল্প মেয়াদী হয়। এটা বিয়ারিশ এনগালফিং ক্যান্ডেলের চেয়ে কম কার্যকর। 

ব্যবহারঃ সেল ডিসিশনে ব্যবহার করা হয়। 


১৪) ক) থ্রী ইনসাইড আপঃ  থ্রী ইনসাইড আপ হলো ৩ ক্যান্ডেল বিশিষ্ট বুলিশ রিভার্সাল প্যাটার্ণ। 
গঠণঃ 
    ১) ১ম ক্যান্ডেল সলিড বিয়ারিশ ক্যান্ডেল থাকে  
    ২) ২য় ও ৩য় ক্যান্ডেল সলিড বুলিশ ক্যান্ডেল থাকে 
    ৩) ২য় ক্যান্ডেল ১ম ক্যান্ডেলের ৫০% এর বেশী কাভার করে  
    ৪) ৩য় ক্যান্ডেল ১ম ক্যান্ডেলের ১০০% এর বেশী কাভার করে 
    ৫) এটা বিয়ারিশ সেশনে দেখা যায়।  

ফাংশনঃ বুলিশ রিভার্সাল হিসাবে কাজ করে, তবে সাইডওয়েতে দেখা গেলে এটা কোন অর্থ বহন করে না। 

কার্যকারীতাঃ এই প্যাটার্ণ এর নির্ভরযোগ্যতা ও কার্যকারীতা মাঝারি। ই প্যাটার্ণের কার্যকারীতা সাধারণত স্বল্প মেয়াদী হয়। এটা বুলিশ এনগালফিং ক্যান্ডেলের চেয়ে কম কার্যকর। 

ব্যবহারঃ বাই ডিসিশনে ব্যবহার করা হয়। 


    খ) থ্রী ইনসাইড ডাউনঃ  থ্রী ইনসাইড ডাউন হলো ৩ ক্যান্ডেল বিশিষ্ট বিয়ারিশ রিভার্সাল প্যাটার্ণ। 
গঠণঃ 
    ১) ১ম ক্যান্ডেল সলিড বুলিশ ক্যান্ডেল থাকে  
    ২) ২য় ও ৩য় ক্যান্ডেল সলিড বিয়ারিশ ক্যান্ডেল থাকে 
    ৩) ২য় ক্যান্ডেল ১ম ক্যান্ডেলের ৫০% এর বেশী কাভার করে  
    ৪) ৩য় ক্যান্ডেল ১ম ক্যান্ডেলের ১০০% এর বেশী কাভার করে 
    ৫) এটা বুলিশ সেশনে দেখা যায়।  

ফাংশনঃ বিয়ারিশ রিভার্সাল হিসাবে কাজ করে, তবে সাইডওয়েতে দেখা গেলে এটা কোন অর্থ বহন করে না। 

কার্যকারীতাঃ এই প্যাটার্ণ এর নির্ভরযোগ্যতা ও কার্যকারীতা মাঝারি। ই প্যাটার্ণের কার্যকারীতা সাধারণত স্বল্প মেয়াদী হয়। এটা বুলিশ এনগালফিং ক্যান্ডেলের চেয়ে কম কার্যকর। 

ব্যবহারঃ সেল ডিসিশনে ব্যবহার করা হয়। 


১৫) ক) তাসুকি গ্যাপঃ  তাসুকি গ্যাপ হলো ৩ ক্যান্ডেল বিশিষ্ট কন্টিনিউয়েশন প্যাটার্ণ। 

    ক) আপ সাইড তাসুকি গ্যাপঃ  আপ সাইড তাসুকি গ্যাপ হলো ৩ ক্যান্ডেল বিশিষ্ট বুলিশ কন্টিনিউয়েশন প্যাটার্ণ। 
গঠণঃ 
    ১) ১ম ও ২য় ক্যান্ডেল সলিড বুলিশ ক্যান্ডেল হয় 
    ২) ১ম ও ২য় ক্যান্ডেলের মাঝে গ্যাপ থাকে    
    ৩) ৩য় ক্যান্ডেল সলিড বডির ছোট ক্যান্ডেল হয় 
    ৪) ৩য় ক্যান্ডেল ১ম ও ২য় ক্যান্ডেলের গ্যাপ পুরণ করে 
    ৪) এটা বুলিশ সেশনে দেখা যায়।  

ফাংশনঃ বুলিশ কন্টিনিউয়েশন হিসাবে কাজ করে, তবে সাইডওয়েতে দেখা গেলে এটা কোন অর্থ বহন করে না। 

কার্যকারীতাঃ এই প্যাটার্ণ এর নির্ভরযোগ্যতা ও কার্যকারীতা ভাল। ই প্যাটার্ণের কার্যকারীতা সাধারণত স্বল্প মেয়াদী হয়। 

ব্যবহারঃ বাই ডিসিশনে ব্যবহার করা হয়। 


    খ) ডাউন সাইড তাসুকি গ্যাপঃ  ডাউন সাইড তাসুকি গ্যাপ হলো ৩ ক্যান্ডেল বিশিষ্ট বিয়ারিশ কন্টিনিউয়েশন প্যাটার্ণ। 
গঠণঃ 
    ১) ১ম ও ২য় ক্যান্ডেল সলিড বিয়ারিশ ক্যান্ডেল হয় 
    ২) ১ম ও ২য় ক্যান্ডেলের মাঝে গ্যাপ থাকে    
    ৩) ৩য় ক্যান্ডেল সলিড বডির ছোট ক্যান্ডেল হয় 
    ৪) ৩য় ক্যান্ডেল ১ম ও ২য় ক্যান্ডেলের গ্যাপ পুরণ করে 
    ৪) এটা বিয়ারিশ সেশনে দেখা যায়।  

ফাংশনঃ বিয়ারিশ কন্টিনিউয়েশন হিসাবে কাজ করে, তবে সাইডওয়েতে দেখা গেলে এটা কোন অর্থ বহন করে না। 

কার্যকারীতাঃ এই প্যাটার্ণ এর নির্ভরযোগ্যতা ও কার্যকারীতা ভাল। ই প্যাটার্ণের কার্যকারীতা সাধারণত স্বল্প মেয়াদী হয়। 

ব্যবহারঃ সেল ডিসিশনে ব্যবহার করা হয়। 


অন্যান্য প্যাটার্ণঃ 

উপরের প্যাটার্ণগুলো ছাড়াও আরে অনেক প্যাটার্ণের কথা বিভিন্ন বই ও সাইটে উল্লেখ করা আছে। বিভিন্ন উৎসে সর্বোচ্চ ১০২ ধরণের ক্যান্ডেল প্যাটার্ণের উল্লেখ পাওয়া যায়। তবে সেগুলোর কার্যকারিতা আমাদের মার্কেটে তেমন একটা পরিলক্ষিত হয় না। তাই, শুধু সহজ, কার্যকর ও নির্ভরযোগ্য প্যাটার্ণগুলো এখানে আলোচনা করা হয়েছে।  

ক্যান্ডেল মার্জ করার নিয়মঃ 
একাধিক ক্যান্ডেল মিলে একটা ক্যান্ডেল বানানোকে ক্যান্ডেল মার্জ করা বলে। মার্জকৃত নতুন ক্যান্ডেলের ক্ষেত্রে-
ওপেন = প্রথম ক্যান্ডেলের ওপেন 
হাই = ক্যান্ডেলগুলোর সর্বোচ্চ হাই 
লো = ক্যান্ডেলগুলোর সর্বোনিম্নো লো 
ক্লোজ = শেষ ক্যান্ডেলের ক্লোজ 

ব্যবহারঃ উইকলি, মান্থলি ইত্যাদি ক্যান্ডেল গঠনের সময় এই নিয়মে করা হয়। 





সতর্কতাঃ 
    শুধু ক্যান্ডেল প্যাটার্ণ দিয়ে ট্রেড করা ঝুকিপুর্ণ। 
    ক্যান্ডল প্যাটার্ণ প্রাইস ভলিউম এনালাইসি এর সাথে ব্যবহার করা ভাল। 
    মনে রাখতে হবে যে, ভলিউম ছাড়া লম্বা ক্যান্ডেল অর্থহীন। 
    সাইডওয়েতে ক্যান্ডল প্যাটার্ণ মুল্যহীন।