বটম হান্টিং বলতে একটি স্টকের পরবর্তী সম্ভাব্য বটম খুঁজে বের করাকে বোঝায়।
একটা স্টকের পরবর্তী বটম খুঁজে বের করার অনেক পদ্ধতি আছে। যেমন-
১) আরএসআই বা এমএসিডি ডাইভার্জেন্স
২) রিভার্সাল প্যাটার্ণ
৩) আরএসআই ওভারসোল্ড
আরএসআই ও এমএসিডি ডাইভার্জেন্স ব্যবহার সহজ কিন্তু রিভার্সাল প্যাটার্ণ এর নিশ্চয়তা বেশি।
ডাইভার্জেন্স
প্রাইস যখন নতুন হাই তৈরী করে কিন্তু আরএসআই নতুন হাই তৈরী করতে ব্যর্থ হয় তখন এটাকে বিয়ারিশ আরএসআই ডাইভার্জেন্স বলে, আবার প্রাইস যখন নতুন লো তৈরী করে কিন্তু আরএসআই নতুন লো তৈরী করতে ব্যর্থ হয় তখন এটাকে বুলিশ আরএসআই ডাইভার্জেন্স বলে। আমাদের মার্কেটে যেহেতু শর্ট সেল নাই সেহেতু আমাদের প্রয়োজন বুলিশ আরএসআই ডাইভার্জেন্স। নীচের চিত্রে আরএসআই ডাইভার্জেন্স এর উদাহরণ দেখানো হলো।
রিভার্সাল প্যাটার্ণ
চার্ট প্যাটার্ণের মধ্যে যেগুলো রিভার্সাল নির্দেশ করে সেগুলোকে রিভার্সাল প্যাটার্ণ বলা হয়। আমাদের মার্কেটে যেহেতু শর্ট সেল নাই সেহেতু আমাদের প্রয়োজন বুলিশ রিভার্সাল প্যাটার্ণ । যেমন-
১) রিভার্স হেড এন্ড শোল্ডার প্যাটার্ণ
২) ডাবল বটম প্যাটার্ণ
৩) ট্রিপল বটম প্যাটার্ণ
৪) রাউন্ডিং বটম প্যাটার্ণ
৫) এনগালফ, মর্নিং স্টার ক্যান্ডেল প্যাটার্ণ
৬) হ্যামার / পিনবার ক্যান্ডেল প্যাটার্ণ ইত্যাদি