মার্কেট এক্সিট পলিসি নির্ধারণ করা
তবে মার্কেট এক্সিট পলিসি হলো কখন আপিনি মার্কেটে ট্রেড বন্ধ করে বেরিয়ে যাবেন সেটাকে বোঝায়। যেমন- ট্রেন্ড ট্রেডাররা মার্কেটে ট্রেন্ড না থাকলে মার্কেট থেকে এক্সিট করবে, এমএ ট্রেডাররা তাদের এমএ অনুযায়ী, সাপোর্ট রেজিস্টেন্স ট্রেডাররা তাদের নির্ধারিত সাপোর্ট রেজিস্টেন্স অনুযায় এরকমভাবে নিজনিজ মার্কেট পলিসি অনুযায়ী মার্কেট থেকে এক্সিট করবে।
মার্কেট এক্সিট পলিসির জন্য একটা চেকলিস্ট থাকতে হবে যে, এই এই কন্ডিশনে আমি মার্কেট থেকে বেরিয়ে যাব । উদাহরণ স্বরুপ-
মার্কেট এক্সিট পলিসি চেকলিস্টঃ
- মার্কেট ডাউন ট্রেন্ডে চলে গেল [যেহেতু আমাদের মার্কেটে শর্ট সেল নাই]
- যুদ্ধ বিগ্রহ শুরু হলে
- রাজনৈতিক অস্থিরতা শুরু হলে
- ডলার মার্কেট অস্থির হলে
- ইত্যাদি
ট্রেড এক্সিট স্ট্র্যাটেজি নির্ধারণ করা
নিজেকে জিজ্ঞাসা করুন আপনি কি ট্রেন্ড ট্রেডার না প্যাটার্ণ ট্রেডার না ইন্ডিকেটর ট্রেডার। সে অনুযায়ী আপনার এক্সিট স্ট্র্যাটেজি নির্ধারণ করুণ। যে পদ্ধতি ভাল লাগে সেই পদ্ধতিতে লেগে থাকলেই সফলতা পাওয়া যাবে। বার বার পদ্ধতি বদল করলে সময় ও অর্থের অপচয় হবে।
ট্রেড এক্সিট করার চেকলিস্টঃ
- এসএল / টিপি হিট করেছে
- শেয়ারে কারেকশন শুরু হয়েছে
- ইন্ডিকেটরে সেল সিগনাল জেনারেট করছে
- ডিক্লিয়ারেশন ডেট দেয়েছে
- ইত্যাদি
ট্রেড এক্সিট স্ট্র্যাটেজি ব্যাক টেস্ট করা
এক্সিট স্ট্র্যাটেজি নির্ধারণ করার আগে আপনার এক্সিট স্ট্র্যাটেজি ব্যাকটেস্ট করে দেখে নিতে হবে যে তার সফলতার হার কেমন।
এক্সিট স্ট্র্যাটেজির সুবিধা অসুবিধা সনাক্ত করা
আপনার এক্সিট স্ট্র্যাটেজির সুবিধা ও অসুবিধাগুলো সনাক্ত করতে হবে।
এক্সিট স্ট্র্যাটেজি গ্রহণ বা বর্জন করা
আপনার এক্সিট স্ট্র্যাটেজির যদি সফলতার হার বেশী হয় এবং সুবিধা বেশী থাকে তবে তা গ্রহণ করতে হবে অন্যথায় বর্জন করতে হবে।
এক্সিট স্ট্র্যাটেজি ব্যবহার করা
এক্সিট স্ট্র্যাটেজি গৃহীত হলে তার ব্যবহার শুরু করতে হবে এবং কিভাবে আরো উন্নত করা যায় সেগুলো ঠিক করতে হবে ও প্রয়োগ করে ফলাফল দেখতে হবে।
এক্সিট স্ট্র্যাটেজি টিউনিং করা
এক্সিট স্ট্র্যাটেজি টিউনিং শেষ হলে তারপর সেটা পুরোপুরি ব্যবহার শুরু করতে হবে।