চার্ট প্যাটার্নঃ
বিভিন্ন সময় বিভিন্ন বস্তু বা আকৃতির সাথে চার্টের আকৃতির মিল পাওয়া যায়। চার্ট প্যাটার্ণ বলতে চার্টটি দেখতে আকৃতিতে কেমন বা কিসের মত সেটাই বোঝানো হয়েছে। চার্টের আকৃতি বিভিন্ন রকম হতে পারে, যেমন- ট্রায়াংগল, রেকট্যাংগল/চ্যানেল, ইংরেজি অক্ষর এ, ভ, এম, ডব্লিউ, মানুষের মাথা ও কাঁধের আকৃতি প্রভৃতি। খুজলে ১০০+ চার্ট টাইপ পাওয়া যায়। তবে বুঝতে ও বোঝাতে সহজ এবং আমাদের মার্কেটে ভাল কাজ করে এমন চার্টগুলো এখানে আলোচনা করা হবে।
নোটঃ মনে রাখবেন- চার্ট প্যাটার্ণ দেখতে সবসময় হুবহু থিওরির মত হয় না। একটু এদিক সেদিক হয়।
ক্যান্ডেলিস্টিক প্যাটার্ণগুলো আগে আলোচনা করা হয়েছে বিধায় এখানে আলোচনা করা হচ্ছে না।
চার্ট প্যাটার্ণের ধরণঃ
স্টক চার্টকে কার্যকারিতার উপর ভিত্তি করে প্রথমে ভাগ করা হয়েছে তার পর সেটা দেখতে কেমন তার উপর ভিত্তি করে নানা ভাগে ভাগ করা হয়েছে।
কার্যকারিতার উপর ভিত্তি করে চার্টকে তিন ভাগে ভাগ করা যায়, যথা-
ক) বুলিশ প্যাটার্ণ
অ) বুলিশ কন্টিনিউয়েশন প্যাটার্ণ
১) এসেন্ডিং ট্রায়াংগল
২) বুলিশ ফ্ল্যাগ
৩) বুলিশ পিনাট
৪) বুলিশ ওয়েজ
৫) আপ চ্যানেল
৬) কাপ এন্ড হ্যান্ডেল
আ) বুলিশ রিভার্সাল প্যাটার্ণ
৭) রিভার্স হেড এন্ড শোল্ডার
৮) ডব্লিউ শেপ/ডবল বটম
৯) ট্রিপল বটম ইত্যাদি
১০) রাউন্ডিং বটম
খ) বিয়ারিশ প্যাটার্ণ
অ) বিয়ারিশ কন্টিনিউয়েশন প্যাটার্ণ
১) ডিসেন্ডিং ট্রায়াংগল
২) বিয়ারিশ ফ্ল্যাগ
৩) বিয়ারিশ পিনাট
৪) বিয়ারিশ ওয়েজ
৫) ডাউন চ্যানেল
৬) রিভার্স কাপ এন্ড হ্যান্ডেল
আ) বিয়ারিশ রিভার্সাল প্যাটার্ণ
৭) হেড এন্ড শোল্ডার
৮) এম শেপ/ডবল টপ
৯) ট্রিপল টপ ইত্যাদি
১০) রাউন্ডিং টপ
গ) ট্রেন্ড নিউট্রাল প্যাটার্ণ
১) সিমেট্রিক ট্রায়াংগল
২) রেকট্যাংগল চ্যানেল [একুমুলেশন/ডিস্ট্রিবিশন]
আমাদের মার্কেটে কার্যকর প্যাটার্ণগুলোর নাম ও শ্রেণি বিভাগ জানলাম এবার এর ব্যবহার ও সুবিধা অসুবিধা নিয়ে আলোচনা করা যাক। বোঝার সুবিধার জন্য বুলিশ বিয়ারিশ যাই হোক একই ধরণের প্যাটার্ণ একসাথে আলোচন করা হবে, যেমন বুলিশ-বিয়ারিশ-নিউট্রাল ট্রায়াংগল একসাথে আলোচনা করা হবে।
১) এসেন্ডিং ট্রায়াংগলঃ [বুলিশ] [কন্টিনিউয়েশন]
আকৃতি/গঠণঃ
১) এই ট্রায়াংগলের সুচালো অংশ থাকে ডানদিকে-উপরে
২) ট্রায়াংগলের উপরের অংশ ফ্ল্যাট/সমতল
৩) নীচের অংশ ডানে দিকে কাত/রাইট শ্লপ
৪) ড্র করার জন্য নুন্যতম উপরে ২টা ও নীচে ২টা পয়েন্ট থাকতে হবে
৫) ট্রায়াংগলের মাথা সংকুচিত হতে হবে
৬) বুল/বিয়ার/সাইডওয়েতে দেখা যেতে পারে
সফলতার হারঃ ডিএসই-তে বেশ কার্যকর। ওয়ার্ল্ড মার্কেটে প্রায় ৮৩% কার্যকর।
ট্রেড এক্সিকিউশনঃ
সেটআপঃ বাই সেটআপ।
প্রস্তুতিঃ প্যাটার্ণ আগাম সনাক্ত ও ড্র করে ফলো করতে হবে।
ব্রেক আউট সম্ভাবনাঃ বুলিশ ব্রেক আউট।
ব্রেক আউট কন্ডিশনঃ প্যাটার্ণ + ভলিউম উভয় ব্রেক আউট।
বাইঃ আপ সাইডে ব্রেক করলে বাই। ডাউন সাইড ব্রেক করলে নো একশন।
এসএলঃ ব্রেক আউট ফেল করলে/প্রাইস রিজেকশন হলে কুইক এসএল।
টিপিঃ ট্রায়াংগলের উচ্চতার সমান /অন প্রাইস রিজেকশন।
প্রফিট ট্রেইলিংঃ ইনডেক্স/স্টক নিজে স্ট্রং আপ ট্রেন্ডে থাকলে ট্রেইলিং করা যেতে পারে।
মানি ম্যানেজমেন্ট/লট সাইজঃ পোর্টফোলিওর ১৫-২০% বা ভলিউমের ৩% পর্যন্ত, যেটি কম।
রিস্ক টু রিউয়ার্ড রেশিওঃ নুন্যতম ১ঃ২ হতে হবে।
লেভারেজ/মার্জিন লোনঃ মার্জিন লোন ব্যবহার করা যেতে পারে তবে ১ঃ০.৫ এর বেশী না।
সতর্কতাঃ মার্কেট/স্টক নিজেই ডাউন ট্রেন্ডে থাকলে ব্রেকআউট ফেল করতে পারে।
বিস্তারিতঃ লেভেল-৩ তে দেখুন।
২) ডিসেন্ডিং ট্রায়াংগলঃ [বিয়ারিশ] [কন্টিনিউয়েশন]
আকৃতি/গঠণঃ
১) এই ট্রায়াংগলের সুচালো অংশ থাকে ডানদিকে-নীচে থাকে
২) ট্রায়াংগলের নীচের অংশ ফ্ল্যাট/সমতল
৩) উপরের অংশ ডানে দিকে কাত/রাইট শ্লপ
৪) ড্র করার জন্য নুন্যতম উপরে ২টা ও নীচে ২টা পয়েন্ট থাকতে হবে
৫) ট্রায়াংগলের মাথা সংকুচিত হতে হবে
৬) বুল/বিয়ার/সাইডওয়েতে দেখা যেতে পারে
সফলতার হারঃ ডিএসই-তে বেশ কার্যকর। ওয়ার্ল্ড মার্কেটে প্রায় ৮৭% কার্যকর।
ট্রেড এক্সিকিউশনঃ
সেটআপঃ সেল সেটআপ।
প্রস্তুতিঃ প্যাটার্ণ আগাম সনাক্ত ও ড্র করে ফলো করতে হবে।
ব্রেক আউট সম্ভাবনাঃ বিয়ারিশ ব্রেক আউট।
ব্রেক আউট কন্ডিশনঃ প্যাটার্ণ + ভলিউম উভয় ব্রেক আউট।
সেলঃ ডাউন সাইডে ব্রেক করলে সেল। আপ সাইড ব্রেক করলে নো একশন।
এসএলঃ ব্রেক আউট ফেল করলে/প্রাইস রিজেকশন হলে কুইক এসএল।
টিপিঃ ট্রায়াংগলের উচ্চতার সমান /অন প্রাইস রিজেকশন।
প্রফিট ট্রেইলিংঃ ইনডেক্স/স্টক নিজে স্ট্রং ডাউন ট্রেন্ডে থাকলে ট্রেইলিং করা যেতে পারে।
মানি ম্যানেজমেন্ট/লট সাইজঃ পোর্টফোলিওর ১৫-২০% বা ভলিউমের ৩% পর্যন্ত, যেটি কম।
রিস্ক টু রিউয়ার্ড রেশিওঃ নুন্যতম ১ঃ২ হতে হবে।
লেভারেজ/মার্জিন লোনঃ মার্জিন লোন ব্যবহার করা যেতে পারে তবে ১ঃ০.৫ এর বেশী না।
সতর্কতাঃ মার্কেট/স্টক নিজেই আপ ট্রেন্ডে থাকলে ব্রেকআউট ফেল করতে পারে।
বিস্তারিতঃ লেভেল-৩ তে দেখুন।
৩) সিমেট্রিক ট্রায়াংগলঃ [নিরপেক্ষ]
আকৃতি/গঠণঃ
১) এই ট্রায়াংগলের সুচালো অংশ থাকে ডানদিকে-মাঝামাঝি থাকে
২) ট্রায়াংগলের নীচের অংশ ডান দিকে উপরে স্লপ
৩) ট্রায়াংগলের নীচের অংশ ডান দিকে নীচে স্লপ
৪) ড্র করার জন্য নুন্যতম উপরে ২টা ও নীচে ২টা পয়েন্ট থাকতে হবে
৫) ট্রায়াংগলের মাথা সংকুচিত হতে হবে
৬) বুল/বিয়ার/সাইডওয়েতে দেখা যেতে পারে
সফলতার হারঃ এটা আমাদের মার্কেটে [ডিএসই-তে] বেশ কার্যকর।
ট্রেড এক্সিকিউশনঃ
সেটআপঃ বাই/সেল সেটআপ।
প্রস্তুতিঃ প্যাটার্ণ আগাম সনাক্ত ও ড্র করে ফলো করতে হবে।
ব্রেক আউট সম্ভাবনাঃ বুলিশ/বিয়ারিশ ব্রেক আউট হতে পারে।
ব্রেক আউট কন্ডিশনঃ প্যাটার্ণ + ভলিউম উভয় ব্রেক আউট।
বাই/সেলঃ আপ সাইড ব্রেক করলে বাই, ডাউন সাইডে ব্রেক করলে সেল।
এসএলঃ ব্রেক আউট ফেল করলে/প্রাইস রিজেকশন হলে কুইক এসএল।
টিপিঃ ট্রায়াংগলের উচ্চতার সমান /অন প্রাইস রিজেকশন।
প্রফিট ট্রেইলিংঃ ইনডেক্স ও স্টক নিজে স্ট্রং ট্রেন্ডে থাকলে ঐ দিকে ট্রেইলিং করা যেতে পারে।
মানি ম্যানেজমেন্ট/লট সাইজঃ পোর্টফোলিওর ১০-১৫% বা ভলিউমের ২% পর্যন্ত, যেটি কম।
রিস্ক টু রিউয়ার্ড রেশিওঃ নুন্যতম ১ঃ২ হতে হবে।
লেভারেজ/মার্জিন লোনঃ এক্ষেত্রে মার্জিন লোন ব্যবহার না করা উত্তম।
সতর্কতাঃ মার্কেট/স্টক এর ট্রেন্ডের বিপরীতে ব্রেকআউট ফেল করতে পারে।
বিস্তারিতঃ লেভেল-৩ তে দেখুন।
৪) রেকট্যাংগল / হরাইজন্টাল চ্যানেলঃ [নিরপেক্ষ]
আকৃতি/গঠণঃ
১) প্রাইস রেঞ্জ ফরম করে
২) প্রাইস রেঞ্জ একটি চ্যানেলের মত
৩) চ্যানেলটি দেখতে হরাইজন্টাল
৪) ড্র করার জন্য নুন্যতম উপরে ৩টা ও নীচে ৩টা পয়েন্ট থাকতে হবে
৫) সাইডওয়ে ট্রেন্ডে দেখা যায়
সফলতার হারঃ ডিএসই-তে বেশ কার্যকর। ওয়ার্ল্ড মার্কেটে প্রায় ৮৫% কার্যকর।
ট্রেড এক্সিকিউশনঃ
সেটআপঃ বাই/সেল সেটআপ।
প্রস্তুতিঃ প্যাটার্ণ আগাম সনাক্ত ও ড্র করে ফলো করতে হবে।
ব্রেক আউট সম্ভাবনাঃ বুলিশ/বিয়ারিশ ব্রেক আউট হতে পারে।
ব্রেক আউট কন্ডিশনঃ প্যাটার্ণ + ভলিউম উভয় ব্রেক আউট।
সেলঃ আপ সাইড ব্রেক করলে বাই, ডাউন সাইডে ব্রেক করলে সেল। ট্রেন্ডের দিকে হলে ভাল।
এসএলঃ ব্রেক আউট ফেল করলে/প্রাইস রিজেকশন হলে কুইক এসএল।
টিপিঃ রেকট্যাংগলের উচ্চতার সমান /অন প্রাইস রিজেকশন।
প্রফিট ট্রেইলিংঃ ইনডেক্স ও স্টক নিজে স্ট্রং ট্রেন্ডে থাকলে ঐ দিকে ট্রেইলিং করা যেতে পারে।
মানি ম্যানেজমেন্ট/লট সাইজঃ পোর্টফোলিওর ১৫-২০% বা ভলিউমের ৩% পর্যন্ত, যেটি কম।
রিস্ক টু রিউয়ার্ড রেশিওঃ নুন্যতম ১ঃ২ হতে হবে।
লেভারেজ/মার্জিন লোনঃ মার্জিন লোন ব্যবহার করা যেতে পারে তবে ১ঃ০.৫ এর বেশী না।
সতর্কতাঃ মার্কেট/স্টক এর ট্রেন্ডের বিপরীতে ব্রেকআউট ফেল করতে পারে।
বিস্তারিতঃ লেভেল-৩ তে দেখুন।
৫) বুলিশ পিন্যান্টঃ [বুলিশ] [কন্টিনিউয়েশন]
আকৃতি/গঠণঃ
১) বুলিশ পোলঃ প্রথমে একটি স্টং বুল মুভ থাকে
২) বুলিশ মুভের মাথায় খুবই ছোট ট্রায়াংগল থাকে
৩) ট্রায়াংগলের মাথা সংকুচিত হতে হবে
৪) ড্র করার জন্য নুন্যতম উপরে ২টা ও নীচে ২টা পয়েন্ট থাকতে হবে
৫) শুধু বুলিশ ট্রেন্ডে দেখা যায়
সফলতার হারঃ ডিএসই-তে বেশ কার্যকর। ওয়ার্ল্ড মার্কেটে প্রায় ৫৪% কার্যকর।
ট্রেড এক্সিকিউশনঃ
সেটআপঃ বাই সেটআপ।
প্রস্তুতিঃ প্যাটার্ণ আগাম সনাক্ত ও ড্র করে ফলো করতে হবে।
ব্রেক আউট সম্ভাবনাঃ বুলিশ ব্রেক আউট।
ব্রেক আউট কন্ডিশনঃ প্যাটার্ণ + ভলিউম উভয় ব্রেক আউট।
বাইঃ আপ সাইডে ব্রেক করলে বাই। ডাউন সাইড ব্রেক করলে নো একশন।
এসএলঃ ব্রেক আউট ফেল করলে/প্রাইস রিজেকশন হলে কুইক এসএল।
টিপিঃ পিন্যান্টের পোলের উচ্চতার সমান /অন প্রাইস রিজেকশন।
প্রফিট ট্রেইলিংঃ ইনডেক্স/স্টক নিজে স্ট্রং আপ ট্রেন্ডে থাকলে ট্রেইলিং করা যেতে পারে।
মানি ম্যানেজমেন্ট/লট সাইজঃ পোর্টফোলিওর ১০-১৫% বা ভলিউমের ২% পর্যন্ত, যেটি কম।
রিস্ক টু রিউয়ার্ড রেশিওঃ নুন্যতম ১ঃ২ হতে হবে।
লেভারেজ/মার্জিন লোনঃ এক্ষেত্রে মার্জিন লোন ব্যবহার না করা উত্তম।
সতর্কতাঃ মার্কেট/স্টক নিজেই ডাউন ট্রেন্ডে থাকলে ব্রেকআউট ফেল করতে পারে।
বিস্তারিতঃ লেভেল-৩ তে দেখুন।
৬) বিয়ারিশ পিন্যান্টঃ [বিয়ারিশ] [কন্টিনিউয়েশন]
আকৃতি/গঠণঃ
১) বিয়ারিশ পোলঃ প্রথমে একটি স্টং বিয়ারিশ মুভ থাকে
২) বিয়ারিশ মুভের মাথায় খুবই ছোট ট্রায়াংগল থাকে
৩) ট্রায়াংগলের মাথা সংকুচিত হতে হবে
৪) ড্র করার জন্য নুন্যতম উপরে ২টা ও নীচে ২টা পয়েন্ট থাকতে হবে
৫) শুধু বিয়ারিশ ট্রেন্ডে দেখা যায়
সফলতার হারঃ ডিএসই-তে বেশ কার্যকর। ওয়ার্ল্ড মার্কেটে প্রায় ৫৪% কার্যকর।
ট্রেড এক্সিকিউশনঃ
সেটআপঃ সেল সেটআপ।
প্রস্তুতিঃ প্যাটার্ণ আগাম সনাক্ত ও ড্র করে ফলো করতে হবে।
ব্রেক আউট সম্ভাবনাঃ বিয়ারিশ ব্রেক আউট।
ব্রেক আউট কন্ডিশনঃ প্যাটার্ণ + ভলিউম উভয় ব্রেক আউট।
সেলঃ ডাউন সাইডে ব্রেক করলে সেল। আপ সাইড ব্রেক করলে নো একশন।
এসএলঃ ব্রেক আউট ফেল করলে/প্রাইস রিজেকশন হলে কুইক এসএল।
টিপিঃ ট্রায়াংগলের উচ্চতার সমান /অন প্রাইস রিজেকশন।
প্রফিট ট্রেইলিংঃ ইনডেক্স/স্টক নিজে স্ট্রং ডাউন ট্রেন্ডে থাকলে ট্রেইলিং করা যেতে পারে।
মানি ম্যানেজমেন্ট/লট সাইজঃ পোর্টফোলিওর ১৫-২০% বা ভলিউমের ৩% পর্যন্ত, যেটি কম।
রিস্ক টু রিউয়ার্ড রেশিওঃ নুন্যতম ১ঃ২ হতে হবে।
লেভারেজ/মার্জিন লোনঃ মার্জিন লোন ব্যবহার করা যেতে পারে তবে ১ঃ০.৫ এর বেশী না।
সতর্কতাঃ মার্কেট/স্টক নিজেই আপ ট্রেন্ডে থাকলে ব্রেকআউট ফেল করতে পারে।
বিস্তারিতঃ লেভেল-৩ তে দেখুন।
৭) বুল ফ্ল্যাগঃ [বুলিশ] [কন্টিনিউয়েশন]
আকৃতি/গঠণঃ
১) বুলিশ পোলঃ প্রথমে একটি বুলিশ মুভ থাকে
২) বুলিশ মুভের মাথায় ফ্ল্যাগ সদৃশ ছোট প্যারালাল চ্যানেল থাকে
৩) ড্র করার জন্য নুন্যতম উপরে ২টা ও নীচে ২টা পয়েন্ট থাকে
৪) শুধু বুলিশ ট্রেন্ডে দেখা যায়
সফলতার হারঃ ডিএসই-তে বেশ কার্যকর। ওয়ার্ল্ড মার্কেটে প্রায় ৮৫% কার্যকর।
ট্রেড এক্সিকিউশনঃ
সেটআপঃ বাই সেটআপ।
প্রস্তুতিঃ প্যাটার্ণ আগাম সনাক্ত ও ড্র করে ফলো করতে হবে।
ব্রেক আউট সম্ভাবনাঃ বুলিশ ব্রেক আউট।
ব্রেক আউট কন্ডিশনঃ প্যাটার্ণ + ভলিউম উভয় ব্রেক আউট।
বাইঃ আপ সাইডে ব্রেক করলে বাই। ডাউন সাইড ব্রেক করলে নো একশন।
এসএলঃ ব্রেক আউট ফেল করলে/প্রাইস রিজেকশন হলে কুইক এসএল।
টিপিঃ বুল ফ্ল্যাগের উচ্চতার সমান /অন প্রাইস রিজেকশন।
প্রফিট ট্রেইলিংঃ ইনডেক্স/স্টক নিজে স্ট্রং আপ ট্রেন্ডে থাকলে ট্রেইলিং করা যেতে পারে।
মানি ম্যানেজমেন্ট/লট সাইজঃ পোর্টফোলিওর ১৫-২০% বা ভলিউমের ৩% পর্যন্ত, যেটি কম।
রিস্ক টু রিউয়ার্ড রেশিওঃ নুন্যতম ১ঃ২ হতে হবে।
লেভারেজ/মার্জিন লোনঃ মার্জিন লোন ব্যবহার করা যেতে পারে তবে ১ঃ০.৫ এর বেশী না।
সতর্কতাঃ মার্কেট/স্টক নিজেই ডাউন ট্রেন্ডে থাকলে ব্রেকআউট ফেল করতে পারে।
বিস্তারিতঃ লেভেল-৩ তে দেখুন।
৮) বিয়ার ফ্ল্যাগঃ [বিয়ারিশ] [কন্টিনিউয়েশন]
আকৃতি/গঠণঃ
১) বিয়ারিশ পোলঃ প্রথমে একটি বিয়ারিশ মুভ থাকে
২) বিয়ারিশ মুভের মাথায় ফ্ল্যাগ সদৃশ ছোট প্যারালাল চ্যানেল থাকে
৩) ড্র করার জন্য নুন্যতম উপরে ২টা ও নীচে ২টা পয়েন্ট থাকে
৪) শুধু বিয়ারিশ ট্রেন্ডে দেখা যায়
সফলতার হারঃ ডিএসই-তে বেশ কার্যকর। ওয়ার্ল্ড মার্কেটে প্রায় ৮৫% কার্যকর।
ট্রেড এক্সিকিউশনঃ
সেটআপঃ সেল সেটআপ।
প্রস্তুতিঃ প্যাটার্ণ আগাম সনাক্ত ও ড্র করে ফলো করতে হবে।
ব্রেক আউট সম্ভাবনাঃ বিয়ারিশ ব্রেক আউট।
ব্রেক আউট কন্ডিশনঃ প্যাটার্ণ + ভলিউম উভয় ব্রেক আউট।
সেলঃ ডাউন সাইডে ব্রেক করলে সেল। আপ সাইড ব্রেক করলে নো একশন।
এসএলঃ ব্রেক আউট ফেল করলে/প্রাইস রিজেকশন হলে কুইক এসএল।
টিপিঃ প্ল্যাগ পোলের উচ্চতার সমান /অন প্রাইস রিজেকশন।
প্রফিট ট্রেইলিংঃ ইনডেক্স/স্টক নিজে স্ট্রং ডাউন ট্রেন্ডে থাকলে ট্রেইলিং করা যেতে পারে।
মানি ম্যানেজমেন্ট/লট সাইজঃ পোর্টফোলিওর ১৫-২০% বা ভলিউমের ৩% পর্যন্ত, যেটি কম।
রিস্ক টু রিউয়ার্ড রেশিওঃ নুন্যতম ১ঃ২ হতে হবে।
লেভারেজ/মার্জিন লোনঃ মার্জিন লোন ব্যবহার করা যেতে পারে তবে ১ঃ০.৫ এর বেশী না।
সতর্কতাঃ মার্কেট/স্টক নিজেই আপ ট্রেন্ডে থাকলে ব্রেকআউট ফেল করতে পারে।
বিস্তারিতঃ লেভেল-৩ তে দেখুন।
৯) ফলিং ওয়েজঃ [বুলিশ] [রিভার্সাল]
আকৃতি/গঠণঃ
১) প্রথমে একটি বিয়ারিশ মুভ থাকে
২) বিয়ারিশ মুভের মাথায় ডানদিকে কাত নিম্নমুখী ট্রায়াংগলের মত আকৃতি দেখা যায়
৩) ড্র করার জন্য নুন্যতম উপরে ২টা ও নীচে ২টা পয়েন্ট থাকে
৪) ডানদিকের মাথা সংকুচিত হতে থাকে
৫) শুধু বিয়ারিশ ট্রেন্ডে দেখা যায়
৬) নতুন লো এর উচ্চতা ধীরে ধীরে কমতে থাকে
৭) কোন পার্শ আনুভুমিক নয়
সফলতার হারঃ ডিএসই-তে বেশ কার্যকর। ওয়ার্ল্ড মার্কেটে প্রায় ৭৪% কার্যকর।
ট্রেড এক্সিকিউশনঃ
সেটআপঃ বাই সেটআপ।
প্রস্তুতিঃ প্যাটার্ণ আগাম সনাক্ত ও ড্র করে ফলো করতে হবে।
ব্রেক আউট সম্ভাবনাঃ বুলিশ ব্রেক আউট।
ব্রেক আউট কন্ডিশনঃ প্যাটার্ণ + ভলিউম উভয় ব্রেক আউট।
বাইঃ আপ সাইডে ব্রেক করলে বাই। ডাউন সাইড ব্রেক করলে নো একশন।
এসএলঃ ব্রেক আউট ফেল করলে/প্রাইস রিজেকশন হলে কুইক এসএল।
টিপিঃ ওয়েজের উচ্চতার সমান /অন প্রাইস রিজেকশন।
প্রফিট ট্রেইলিংঃ ইনডেক্স/স্টক নিজে স্ট্রং আপ ট্রেন্ডে থাকলে ট্রেইলিং করা যেতে পারে।
মানি ম্যানেজমেন্ট/লট সাইজঃ পোর্টফোলিওর ১৫-২০% বা ভলিউমের ৩% পর্যন্ত, যেটি কম।
রিস্ক টু রিউয়ার্ড রেশিওঃ নুন্যতম ১ঃ২ হতে হবে।
লেভারেজ/মার্জিন লোনঃ মার্জিন লোন ব্যবহার করা যেতে পারে তবে ১ঃ০.৫ এর বেশী না।
সতর্কতাঃ মার্কেট/স্টক নিজেই ডাউন ট্রেন্ডে থাকলে ব্রেকআউট ফেল করতে পারে।
বিস্তারিতঃ লেভেল-৩ তে দেখুন।
১০) রাইজিং ওয়েজঃ [বিয়ারিশ] [রিভার্সাল]
আকৃতি/গঠণঃ
১) প্রথমে একটি বুলিশ মুভ থাকে
২) বুলিশ মুভের মাথায় ডানদিকে কাত উর্ধমুখী ট্রায়াংগলের মত আকৃতি দেখা যায়
৩) ড্র করার জন্য নুন্যতম উপরে ২টা ও নীচে ২টা পয়েন্ট থাকে
৪) ডানদিকের মাথা সংকুচিত হতে থাকে
৫) শুধু বুলিশ ট্রেন্ডে দেখা যায়
৬) নতুন হাই এর উচ্চতা ধীরে ধীরে কমতে থাকে
৭) কোন পার্শ আনুভুমিক নয়
সফলতার হারঃ ডিএসই-তে বেশ কার্যকর। ওয়ার্ল্ড মার্কেটে প্রায় ৭৪% কার্যকর।
ট্রেড এক্সিকিউশনঃ
সেটআপঃ সেল সেটআপ।
প্রস্তুতিঃ প্যাটার্ণ আগাম সনাক্ত ও ড্র করে ফলো করতে হবে।
ব্রেক আউট সম্ভাবনাঃ বিয়ারিশ ব্রেক আউট।
ব্রেক আউট কন্ডিশনঃ প্যাটার্ণ + ভলিউম উভয় ব্রেক আউট।
সেলঃ ডাউন সাইডে ব্রেক করলে সেল। আপ সাইড ব্রেক করলে নো একশন।
এসএলঃ ব্রেক আউট ফেল করলে/প্রাইস রিজেকশন হলে কুইক এসএল।
টিপিঃ ওয়েজের উচ্চতার সমান /অন প্রাইস রিজেকশন।
প্রফিট ট্রেইলিংঃ ইনডেক্স/স্টক নিজে স্ট্রং ডাউন ট্রেন্ডে থাকলে ট্রেইলিং করা যেতে পারে।
মানি ম্যানেজমেন্ট/লট সাইজঃ পোর্টফোলিওর ১৫-২০% বা ভলিউমের ৩% পর্যন্ত, যেটি কম।
রিস্ক টু রিউয়ার্ড রেশিওঃ নুন্যতম ১ঃ২ হতে হবে।
লেভারেজ/মার্জিন লোনঃ মার্জিন লোন ব্যবহার করা যেতে পারে তবে ১ঃ০.৫ এর বেশী না।
সতর্কতাঃ মার্কেট/স্টক নিজেই আপ ট্রেন্ডে থাকলে ব্রেকআউট ফেল করতে পারে।
বিস্তারিতঃ লেভেল-৩ তে দেখুন।
১১) আপ চ্যানেলঃ [কন্টিনিউয়েশন] [ চ্যানেলের ভিতরে ]
আকৃতি/গঠণঃ
১) একটি প্যারালাল চ্যানেল ফরম করে প্রাইস বাড়তে থাকে
২) চ্যানলটি আপ স্লপ হয়ে থাকে
৩) ড্র করার জন্য নুন্যতম উপরে ২টা ও নীচে ২টা পয়েন্ট থাকে
৪) শুধু বুলিশ ট্রেন্ডে দেখা যায়
৫) চ্যানেলের মধ্যে কন্টিনিউয়াস নতুন নতুন হাই করতে থাকে
সফলতার হারঃ এটা আমাদের মার্কেটে [ডিএসই-তে] বেশ কার্যকর।
ট্রেড এক্সিকিউশনঃ [ চ্যানেলের ভিতরে ]
সেটআপঃ বাই সেটআপ।
প্রস্তুতিঃ প্যাটার্ণ আগাম সনাক্ত ও ড্র করে ফলো করতে হবে।
ব্রেক আউট সম্ভাবনাঃ ব্রেক আউট নয়, আপ ট্রেন্ড লাইনে প্রাইস বাউন্স।
ব্রেক আউট কন্ডিশনঃ ব্রেক আউট প্রযোজ্য নয়।
বাইঃ আপ ট্রেন্ড লাইনে প্রাইস বাউন্স করলে বাই। অন্যথায় নো একশন।
এসএলঃ বাউন্স ফেল করলে/ডাউন সাইডে ব্রেক করলে কুইক এসএল।
টিপিঃ চ্যানেলের আপার ব্যান্ড/অন প্রাইস রিজেকশন।
প্রফিট ট্রেইলিংঃ চ্যানেলে ট্রেইলিং প্রযোজ্য নয় এর চেয়ে সুইং ট্রেডিং করা যেতে পারে।
মানি ম্যানেজমেন্ট/লট সাইজঃ পোর্টফোলিওর ১০% বা ভলিউমের ১% পর্যন্ত, যেটি কম।
রিস্ক টু রিউয়ার্ড রেশিওঃ নুন্যতম ১ঃ২ হতে হবে।
লেভারেজ/মার্জিন লোনঃ মার্জিন লোন ব্যবহার করা যেতে পারে তবে ১ঃ০.৫ এর বেশী না।
সতর্কতাঃ মার্কেট ডাউন ট্রেন্ডে থাকলে বাউন্স ফেল করতে পারে।
বিস্তারিতঃ লেভেল-৩ তে দেখুন।
১১)(১) আপ চ্যানেলঃ [নীচের দিকে ব্রেক করলে বিয়ারিশ রিভার্সাল]
আকৃতি/গঠণঃ
১) একটি প্যারালাল চ্যানেল ফরম করে প্রাইস বাড়তে থাকে
২) চ্যানলটি আপ স্লপ হয়ে থাকে
৩) ড্র করার জন্য নুন্যতম উপরে ২টা ও নীচে ২টা পয়েন্ট থাকে
৪) শুধু বুলিশ ট্রেন্ডে দেখা যায়
৫) চ্যানেলের মধ্যে কন্টিনিউয়াস নতুন নতুন হাই করতে থাকে
সফলতার হারঃ এটা আমাদের মার্কেটে [ডিএসই-তে] বেশ কার্যকর।
ট্রেড এক্সিকিউশনঃ
সেটআপঃ সেল সেটআপ।
প্রস্তুতিঃ প্যাটার্ণ আগাম সনাক্ত ও ড্র করে ফলো করতে হবে।
ব্রেক আউট সম্ভাবনাঃ বিয়ারিশ ব্রেক আউট।
ব্রেক আউট কন্ডিশনঃ প্যাটার্ণ + ভলিউম উভয় ব্রেক আউট।
সেলঃ ডাউন সাইডে ব্রেক করলে সেল। অন্যথায় নো একশন।
এসএলঃ ব্রেক আউট ফেল করলে/প্রাইস রিজেকশন হলে কুইক এসএল।
টিপিঃ চ্যানেলের উচ্চতার অর্ধেক/ অন প্রাইস রিজেকশন।
প্রফিট ট্রেইলিংঃ ইনডেক্স স্ট্রং ডাউন ট্রেন্ডে থাকলে ট্রেইলিং করা যেতে পারে।
মানি ম্যানেজমেন্ট/লট সাইজঃ পোর্টফোলিওর ১০-১৫% বা ভলিউমের ২% পর্যন্ত, যেটি কম।
রিস্ক টু রিউয়ার্ড রেশিওঃ নুন্যতম ১ঃ২ হতে হবে।
লেভারেজ/মার্জিন লোনঃ মার্জিন লোন ব্যবহার করা যেতে পারে তবে ১ঃ০.৫ এর বেশী না।
সতর্কতাঃ মার্কেট/স্টক নিজেই আপ ট্রেন্ডে থাকলে ব্রেকআউট ফেল করতে পারে।
বিস্তারিতঃ লেভেল-৩ তে দেখুন।
১২) ডাউন চ্যানেলঃ [কন্টিনিউয়েশন] [ চ্যানেলের ভিতরে ]
আকৃতি/গঠণঃ
১) একটি প্যারালাল চ্যানেল ফরম করে প্রাইস কমতে থাকে
২) চ্যানলটি ডাউন স্লপ হয়ে থাকে
৩) ড্র করার জন্য নুন্যতম উপরে ২টা ও নীচে ২টা পয়েন্ট থাকে
৪) শুধু বিয়ারিশ ট্রেন্ডে দেখা যায়
৫) চ্যানেলের মধ্যে কন্টিনিউয়াস নতুন নতুন লো করতে থাকে
সফলতার হারঃ এটা আমাদের মার্কেটে [ডিএসই-তে] বেশ কার্যকর।
ট্রেড এক্সিকিউশনঃ [ চ্যানেলের ভিতরে ]
সেটআপঃ সেল সেটআপ।
প্রস্তুতিঃ প্যাটার্ণ আগাম সনাক্ত ও ড্র করে ফলো করতে হবে।
ব্রেক আউট সম্ভাবনাঃ ব্রেক আউট নয়, ডাউন ট্রেন্ড লাইন থেকে প্রাইস পুলব্যাক।
ব্রেক আউট কন্ডিশনঃ ব্রেক আউট প্রযোজ্য নয়।
সেলঃ ডাউন ট্রেন্ড লাইন থেকে প্রাইস পুল ব্যাক করলে সেল। অন্যথায় নো একশন।
এসএলঃ পুল ব্যাকফেল করলে/আপ সাইডে ব্রেক করলে কুইক এসএল।
টিপিঃ চ্যানেলের আপার ব্যান্ড/অন প্রাইস রিজেকশন।
প্রফিট ট্রেইলিংঃ চ্যানেলে ট্রেইলিং প্রযোজ্য নয় এর চেয়ে সুইং ট্রেডিং করা যেতে পারে।
মানি ম্যানেজমেন্ট/লট সাইজঃ পোর্টফোলিওর ১০% বা ভলিউমের ১% পর্যন্ত, যেটি কম।
রিস্ক টু রিউয়ার্ড রেশিওঃ নুন্যতম ১ঃ২ হতে হবে।
লেভারেজ/মার্জিন লোনঃ এক্ষেত্রে মার্জিন লোন ব্যবহার না করা ভাল।
সতর্কতাঃ মার্কেট আপ ট্রেন্ডে থাকলে পুলব্যাক ফেল করতে পারে।
বিস্তারিতঃ লেভেল-৩ তে দেখুন।
১২)(১) ডাউন চ্যানেলঃ [উপরের দিকে ব্রেক করলে বুলিশ রিভার্সাল]
আকৃতি/গঠণঃ
১) একটি প্যারালাল চ্যানেল ফরম করে প্রাইস কমতে থাকে
২) চ্যানলটি ডাউন স্লপ হয়ে থাকে
৩) ড্র করার জন্য নুন্যতম উপরে ২টা ও নীচে ২টা পয়েন্ট থাকে
৪) শুধু বিয়ারিশ ট্রেন্ডে দেখা যায়
৫) চ্যানেলের মধ্যে কন্টিনিউয়াস নতুন নতুন লো করতে থাকে
সফলতার হারঃ এটা আমাদের মার্কেটে [ডিএসই-তে] বেশ কার্যকর।
ট্রেড এক্সিকিউশনঃ
সেটআপঃ বাই সেটআপ।
প্রস্তুতিঃ প্যাটার্ণ আগাম সনাক্ত ও ড্র করে ফলো করতে হবে।
ব্রেক আউট সম্ভাবনাঃ বুলিশ ব্রেক আউট।
ব্রেক আউট কন্ডিশনঃ প্যাটার্ণ + ভলিউম উভয় ব্রেক আউট।
বাইঃ আপ সাইডে ব্রেক করলে বাই। অন্যথায় নো একশন।
এসএলঃ ব্রেক আউট ফেল করলে/প্রাইস রিজেকশন হলে কুইক এসএল।
টিপিঃ চ্যানেলের উচ্চতার অর্ধেক/অন প্রাইস রিজেকশন।
প্রফিট ট্রেইলিংঃ ইনডেক্স স্ট্রং আপ ট্রেন্ডে থাকলে ট্রেইলিং করা যেতে পারে।
মানি ম্যানেজমেন্ট/লট সাইজঃ পোর্টফোলিওর ১০-১৫% বা ভলিউমের ২% পর্যন্ত, যেটি কম।
রিস্ক টু রিউয়ার্ড রেশিওঃ নুন্যতম ১ঃ২ হতে হবে।
লেভারেজ/মার্জিন লোনঃ মার্জিন লোন ব্যবহার করা যেতে পারে তবে ১ঃ০.৫ এর বেশী না।
সতর্কতাঃ মার্কেট ডাউন ট্রেন্ডে থাকলে ব্রেকআউট ফেল করতে পারে।
বিস্তারিতঃ লেভেল-৩ তে দেখুন।
১৩) কাপ এন্ড হ্যান্ডেলঃ [বুলিশ] [কন্টিনিউয়েশন]
আকৃতি/গঠণঃ
১) এটি দেখতে কাপ ও হ্যান্ডেলের মত
২) হ্যান্ডেল কাপের অর্ধেকের চেয়ে বড় হবে না
৩) বুলিশ ও বিয়ারিশ ট্রেন্ডে দেখা যায়
সফলতার হারঃ ডিএসই-তে বেশ কার্যকর। ওয়ার্ল্ড মার্কেটে প্রায় ৯৫% কার্যকর।
ট্রেড এক্সিকিউশনঃ
সেটআপঃ বাই সেটআপ।
প্রস্তুতিঃ প্যাটার্ণ আগাম সনাক্ত ও ড্র করে ফলো করতে হবে।
ব্রেক আউট সম্ভাবনাঃ বুলিশ ব্রেক আউট।
ব্রেক আউট কন্ডিশনঃ প্যাটার্ণ + ভলিউম উভয় ব্রেক আউট।
বাইঃ আপ সাইডে ব্রেক করলে বাই। ডাউন সাইড ব্রেক করলে নো একশন।
এসএলঃ ব্রেক আউ ফেল করলে/প্রাইস রিজেকশন হলে কুইক এসএল।
টিপিঃ কাপের উচ্চতার সমান /অন প্রাইস রিজেকশন।
প্রফিট ট্রেইলিংঃ ইনডেক্স/স্টক নিজে স্ট্রং আপ ট্রেন্ডে থাকলে ট্রেইলিং করা যেতে পারে।
মানি ম্যানেজমেন্ট/লট সাইজঃ পোর্টফোলিওর ১৫-২০% বা ভলিউমের ৩% পর্যন্ত, যেটি কম।
রিস্ক টু রিউয়ার্ড রেশিওঃ নুন্যতম ১ঃ২ হতে হবে।
লেভারেজ/মার্জিন লোনঃ মার্জিন লোন ব্যবহার করা যেতে পারে তবে ১ঃ০.৫ এর বেশী না।
সতর্কতাঃ মার্কেট/স্টক নিজেই ডাউন ট্রেন্ডে থাকলে ব্রেকআউট ফেল করতে পারে।
বিস্তারিতঃ লেভেল-৩ তে দেখুন।
১৪) রিভার্স কাপ এন্ড হ্যান্ডেলঃ [বিয়ারিশ] [কন্টিনিউয়েশন]
আকৃতি/গঠণঃ
১) এটি দেখতে উল্টা কাপ ও হ্যান্ডেলের মত
২) হ্যান্ডেল কাপের অর্ধেকের চেয়ে বড় হবে না
৩) শুধু বুলিশ ট্রেন্ডে দেখা যায়
সফলতার হারঃ ডিএসই-তে বেশ কার্যকর। ওয়ার্ল্ড মার্কেটে প্রায় ৯৫% কার্যকর।
ট্রেড এক্সিকিউশনঃ
সেটআপঃ সেল সেটআপ।
প্রস্তুতিঃ প্যাটার্ণ আগাম সনাক্ত ও ড্র করে ফলো করতে হবে।
ব্রেক আউট সম্ভাবনাঃ বিয়ারিশ ব্রেক আউট।
ব্রেক আউট কন্ডিশনঃ প্যাটার্ণ + ভলিউম উভয় ব্রেক আউট।
সেলঃ ডাউন সাইডে ব্রেক করলে সেল। আপ সাইড ব্রেক করলে নো একশন।
এসএলঃ ব্রেক আউট ফেল করলে/প্রাইস রিজেকশন হলে কুইক এসএল।
টিপিঃ কাপের উচ্চতার সমান /অন প্রাইস রিজেকশন।
প্রফিট ট্রেইলিংঃ ইনডেক্স/স্টক নিজে স্ট্রং ডাউন ট্রেন্ডে থাকলে ট্রেইলিং করা যেতে পারে।
মানি ম্যানেজমেন্ট/লট সাইজঃ পোর্টফোলিওর ১৫-২০% বা ভলিউমের ৩% পর্যন্ত, যেটি কম।
রিস্ক টু রিউয়ার্ড রেশিওঃ নুন্যতম ১ঃ২ হতে হবে।
লেভারেজ/মার্জিন লোনঃ মার্জিন লোন ব্যবহার করা যেতে পারে তবে ১ঃ০.৫ এর বেশী না।
সতর্কতাঃ মার্কেট/স্টক নিজেই আপ ট্রেন্ডে থাকলে ব্রেকআউট ফেল করতে পারে।
বিস্তারিতঃ লেভেল-৩ তে দেখুন।
ছবি লাগবে ------------------------
১৫) ডাবল টপঃ [বিয়ারিশ] [ রিভার্সাল]
আকৃতি/গঠণঃ
১) এটি দেখতে ইংরেজি এম অক্ষরের মত
২) এর দুটি টপ / চুড়া থাকে
৩) শুধু বুলিশ ট্রেন্ডে দেখা যায়
৪) একটা নেক লাইন থাকে [আনুভুমিক বা সামান্য কাত হতে পারে]
সফলতার হারঃ ডিএসই-তে বেশ কার্যকর। ওয়ার্ল্ড মার্কেটে প্রায় ৮৮% কার্যকর। কাছাকাছি হলে রিভার্সাল, দূরে হলে রেজিস্টেন্স হিসাবে কাজ করার সম্ভাবনা বেশি।
ট্রেড এক্সিকিউশনঃ
সেটআপঃ সেল সেটআপ।
প্রস্তুতিঃ প্যাটার্ণ আগাম সনাক্ত ও ড্র করে ফলো করতে হবে।
ব্রেক আউট সম্ভাবনাঃ বিয়ারিশ নেকলাইন ব্রেক আউট।
ব্রেক আউট কন্ডিশনঃ প্যাটার্ণ + ভলিউম উভয় ব্রেক আউট।
সেলঃ ডাউন সাইডে ব্রেক করলে সেল। আপ সাইড ব্রেক করলে নো একশন।
এসএলঃ ব্রেক আউট ফেল করলে/প্রাইস রিজেকশন হলে কুইক এসএল।
টিপিঃ টপ থেকে নেকলাইনের সমান /অন প্রাইস রিজেকশন।
প্রফিট ট্রেইলিংঃ ইনডেক্স/স্টক নিজে স্ট্রং ডাউন ট্রেন্ডে থাকলে ট্রেইলিং করা যেতে পারে।
মানি ম্যানেজমেন্ট/লট সাইজঃ পোর্টফোলিওর ১৫-২০% বা ভলিউমের ৩% পর্যন্ত, যেটি কম।
রিস্ক টু রিউয়ার্ড রেশিওঃ নুন্যতম ১ঃ২ হতে হবে।
লেভারেজ/মার্জিন লোনঃ মার্জিন লোন ব্যবহার করা যেতে পারে তবে ১ঃ০.৫ এর বেশী না।
সতর্কতাঃ মার্কেট/স্টক নিজেই আপ ট্রেন্ডে থাকলে ব্রেকআউট ফেল করতে পারে।
বিস্তারিতঃ লেভেল-৩ তে দেখুন।
১৬) ডাবল বটমঃ [বুলিশ] [রিভার্সাল]
আকৃতি/গঠণঃ
১) এটি দেখতে ইংরেজি ডব্লিউ অক্ষরের মত
২) এর দুটি বটম থাকে
৩) শুধু বিয়ারিশ ট্রেন্ডে দেখা যায়
৪) একটা নেক লাইন থাকে [আনুভুমিক বা সামান্য কাত হতে পারে]
সফলতার হারঃ ডিএসই-তে বেশ কার্যকর। ওয়ার্ল্ড মার্কেটে প্রায় ৮৮% কার্যকর। কাছাকাছি হলে রিভার্সাল, দূরে হলে রেজিস্টেন্স হিসাবে কাজ করার সম্ভাবনা বেশি।
ট্রেড এক্সিকিউশনঃ
সেটআপঃ বাই সেটআপ।
প্রস্তুতিঃ প্যাটার্ণ আগাম সনাক্ত ও ড্র করে ফলো করতে হবে।
ব্রেক আউট সম্ভাবনাঃ বুলিশ নেকলাইন ব্রেক আউট।
ব্রেক আউট কন্ডিশনঃ প্যাটার্ণ + ভলিউম উভয় ব্রেক আউট।
বাইঃ আপ সাইডে ব্রেক করলে বাই। ডাউন সাইড ব্রেক করলে নো একশন।
এসএলঃ ব্রেক আউট ফেল করলে/প্রাইস রিজেকশন হলে কুইক এসএল।
টিপিঃ বটম থেকে নেকলাইনের সমান /অন প্রাইস রিজেকশন।
প্রফিট ট্রেইলিংঃ ইনডেক্স/স্টক নিজে স্ট্রং আপ ট্রেন্ডে থাকলে ট্রেইলিং করা যেতে পারে।
মানি ম্যানেজমেন্ট/লট সাইজঃ পোর্টফোলিওর ১৫-২০% বা ভলিউমের ৩% পর্যন্ত, যেটি কম।
রিস্ক টু রিউয়ার্ড রেশিওঃ নুন্যতম ১ঃ২ হতে হবে।
লেভারেজ/মার্জিন লোনঃ মার্জিন লোন ব্যবহার করা যেতে পারে তবে ১ঃ০.৫ এর বেশী না।
সতর্কতাঃ মার্কেট/স্টক নিজেই ডাউন ট্রেন্ডে থাকলে ব্রেকআউট ফেল করতে পারে।
বিস্তারিতঃ লেভেল-৩ তে দেখুন।
১৭) হেড এন্ড শোল্ডারঃ [বিয়ারিশ] [রিভার্সাল]
আকৃতি/গঠণঃ
১) এটি দেখতে মানুষের মাথা ও কাঁধের মত
২) এর ১ হেড ও ২ টি শোলডার থাকে
৩) শুধু বুলিশ ট্রেন্ডে দেখা যায়
৪) একটা নেক লাইন থাকে [আনুভুমিক বা সামান্য কাত হতে পারে]
সফলতার হারঃ ডিএসই-তে বেশ কার্যকর। ওয়ার্ল্ড মার্কেটে প্রায় ৮৯% কার্যকর।
ট্রেড এক্সিকিউশনঃ
সেটআপঃ সেল সেটআপ।
প্রস্তুতিঃ প্যাটার্ণ আগাম সনাক্ত ও ড্র করে ফলো করতে হবে।
ব্রেক আউট সম্ভাবনাঃ বিয়ারিশ ব্রেক আউট।
ব্রেক আউট কন্ডিশনঃ প্যাটার্ণ + ভলিউম উভয় ব্রেক আউট।
সেলঃ ডাউন সাইডে ব্রেক করলে সেল। অন্যথায় নো একশন।
এসএলঃ ব্রেক আউট ফেল করলে/প্রাইস রিজেকশন হলে কুইক এসএল।
টিপিঃ হেড থেকে নেকলাইনের উচ্চতার সমান /অন প্রাইস রিজেকশন।
প্রফিট ট্রেইলিংঃ ইনডেক্স/স্টক নিজে স্ট্রং ডাউন ট্রেন্ডে থাকলে ট্রেইলিং করা যেতে পারে।
মানি ম্যানেজমেন্ট/লট সাইজঃ পোর্টফোলিওর ১৫-২০% বা ভলিউমের ৩% পর্যন্ত, যেটি কম।
রিস্ক টু রিউয়ার্ড রেশিওঃ নুন্যতম ১ঃ২ হতে হবে।
লেভারেজ/মার্জিন লোনঃ মার্জিন লোন ব্যবহার করা যেতে পারে তবে ১ঃ০.৫ এর বেশী না।
সতর্কতাঃ মার্কেট আপ ট্রেন্ডে থাকলে ব্রেকআউট ফেল করতে পারে।
বিস্তারিতঃ লেভেল-৩ তে দেখুন।
১৮) রিভার্স হেড এন্ড শোল্ডারঃ [বুলিশ] [রিভার্সাল]
আকৃতি/গঠণঃ
১) এটি দেখতে উল্টানো মানুষের মাথা ও কাঁধের মত
২) এর ১ হেড ও ২ টি শোলডার থাকে
৩) শুধু বিয়ারিশ ট্রেন্ডে দেখা যায়
৪) একটা নেক লাইন থাকে [আনুভুমিক বা সামান্য কাত হতে পারে]
সফলতার হারঃ ডিএসই-তে বেশ কার্যকর। ওয়ার্ল্ড মার্কেটে প্রায় ৮৯% কার্যকর।
ট্রেড এক্সিকিউশনঃ
সেটআপঃ বাই সেটআপ।
প্রস্তুতিঃ প্যাটার্ণ আগাম সনাক্ত ও ড্র করে ফলো করতে হবে।
ব্রেক আউট সম্ভাবনাঃ বুলিশ নেকলাইন ব্রেক আউট।
ব্রেক আউট কন্ডিশনঃ প্যাটার্ণ + ভলিউম উভয় ব্রেক আউট।
বাইঃ আপ সাইডে ব্রেক করলে বাই। অন্যথায় নো একশন।
এসএলঃ ব্রেক আউট ফেল করলে/প্রাইস রিজেকশন হলে কুইক এসএল।
টিপিঃ হেড থেকে নেকলাইনের সমান /অন প্রাইস রিজেকশন।
প্রফিট ট্রেইলিংঃ ইনডেক্স আপ ট্রেন্ডে থাকলে ট্রেইলিং করা যেতে পারে।
মানি ম্যানেজমেন্ট/লট সাইজঃ পোর্টফোলিওর ১৫-২০% বা ভলিউমের ৩% পর্যন্ত, যেটি কম।
রিস্ক টু রিউয়ার্ড রেশিওঃ নুন্যতম ১ঃ২ হতে হবে।
লেভারেজ/মার্জিন লোনঃ মার্জিন লোন ব্যবহার করা যেতে পারে তবে ১ঃ০.৫ এর বেশী না।
সতর্কতাঃ মার্কেট ডাউন ট্রেন্ডে থাকলে ব্রেকআউট ফেল করতে পারে।
বিস্তারিতঃ লেভেল-৩ তে দেখুন।
১৯) ট্রিপল টপঃ [বিয়ারিশ] [রিভার্সাল]
আকৃতি/গঠণঃ
১) এর ৩ টি টপ / চুড়া থাকে
২) শুধু বুলিশ ট্রেন্ডে দেখা যায়
৩) একটা নেক লাইন থাকে [আনুভুমিক বা সামান্য কাত হতে পারে]
সফলতার হারঃ ডিএসই-তে বেশ কার্যকর। ওয়ার্ল্ড মার্কেটে প্রায় ৮৭% কার্যকর।
ট্রেড এক্সিকিউশনঃ
সেটআপঃ সেল সেটআপ।
প্রস্তুতিঃ প্যাটার্ণ আগাম সনাক্ত ও ড্র করে ফলো করতে হবে।
ব্রেক আউট সম্ভাবনাঃ বিয়ারিশ ব্রেক আউট।
ব্রেক আউট কন্ডিশনঃ প্যাটার্ণ + ভলিউম উভয় ব্রেক আউট।
সেলঃ ডাউন সাইডে ব্রেক করলে সেল। আপ সাইড ব্রেক করলে নো একশন।
এসএলঃ ব্রেক আউট ফেল করলে/প্রাইস রিজেকশন হলে কুইক এসএল।
টিপিঃ রেঞ্জ এর সমান /অন প্রাইস রিজেকশন।
প্রফিট ট্রেইলিংঃ ইনডেক্স/স্টক নিজে স্ট্রং ডাউন ট্রেন্ডে থাকলে ট্রেইলিং করা যেতে পারে।
মানি ম্যানেজমেন্ট/লট সাইজঃ পোর্টফোলিওর ১৫-২০% বা ভলিউমের ৩% পর্যন্ত, যেটি কম।
রিস্ক টু রিউয়ার্ড রেশিওঃ নুন্যতম ১ঃ২ হতে হবে।
লেভারেজ/মার্জিন লোনঃ মার্জিন লোন ব্যবহার করা যেতে পারে তবে ১ঃ০.৫ এর বেশী না।
সতর্কতাঃ মার্কেট/স্টক নিজেই আপ ট্রেন্ডে থাকলে ব্রেকআউট ফেল করতে পারে।
বিস্তারিতঃ লেভেল-৩ তে দেখুন।
২০) ট্রিপল বটমঃ [বুলিশ] [রিভার্সাল]
আকৃতি/গঠণঃ
১) এর ৩ টি বটম থাকে
২) শুধু বিয়ারিশ ট্রেন্ডে দেখা যায়
৩) একটা নেক লাইন থাকে [আনুভুমিক বা সামান্য কাত হতে পারে]
সফলতার হারঃ ডিএসই-তে বেশ কার্যকর। ওয়ার্ল্ড মার্কেটে প্রায় ৮৭% কার্যকর।
ট্রেড এক্সিকিউশনঃ
সেটআপঃ বাই সেটআপ।
প্রস্তুতিঃ প্যাটার্ণ আগাম সনাক্ত ও ড্র করে ফলো করতে হবে।
ব্রেক আউট সম্ভাবনাঃ বুলিশ ব্রেক আউট।
ব্রেক আউট কন্ডিশনঃ প্যাটার্ণ + ভলিউম উভয় ব্রেক আউট।
বাইঃ আপ সাইডে ব্রেক করলে বাই। ডাউন সাইড ব্রেক করলে নো একশন।
এসএলঃ ব্রেক আউট ফেল করলে/প্রাইস রিজেকশন হলে কুইক এসএল।
টিপিঃ বটম থেকে নেকলাইনের সমান /অন প্রাইস রিজেকশন।
প্রফিট ট্রেইলিংঃ ইনডেক্স/স্টক নিজে স্ট্রং আপ ট্রেন্ডে থাকলে ট্রেইলিং করা যেতে পারে।
মানি ম্যানেজমেন্ট/লট সাইজঃ পোর্টফোলিওর ১৫-২০% বা ভলিউমের ৩% পর্যন্ত, যেটি কম।
রিস্ক টু রিউয়ার্ড রেশিওঃ নুন্যতম ১ঃ২ হতে হবে।
লেভারেজ/মার্জিন লোনঃ মার্জিন লোন ব্যবহার করা যেতে পারে তবে ১ঃ০.৫ এর বেশী না।
সতর্কতাঃ মার্কেট ডাউন ট্রেন্ডে থাকলে ব্রেকআউট ফেল করতে পারে।
বিস্তারিতঃ লেভেল-৩ তে দেখুন।
২১) রাউন্ডিং টপঃ [বিয়ারিশ] [রিভার্সাল]
আকৃতি/গঠণঃ
১) এর টপ দেখতে রাউন্ডিং
২) শুধু বুলিশ ট্রেন্ডে দেখা যায়
সফলতার হারঃ এটা আমাদের মার্কেটে [ডিএসই-তে] কার্যকর।
ট্রেড এক্সিকিউশনঃ
সেটআপঃ সেল সেটআপ।
প্রস্তুতিঃ প্যাটার্ণ আগাম সনাক্ত ও ড্র করে ফলো করতে হবে।
ব্রেক আউট সম্ভাবনাঃ বিয়ারিশ ব্রেক আউট।
ব্রেক আউট কন্ডিশনঃ প্যাটার্ণ + ভলিউম উভয় ব্রেক আউট।
সেলঃ ডাউন সাইডে ব্রেক করলে সেল। অন্যথায় নো একশন।
এসএলঃ ব্রেক আউট ফেল করলে/প্রাইস রিজেকশন হলে কুইক এসএল।
টিপিঃ রাউন্ড এর উচ্চতার সমান /অন প্রাইস রিজেকশন।
প্রফিট ট্রেইলিংঃ ইনডেক্স/স্টক নিজে স্ট্রং ডাউন ট্রেন্ডে থাকলে ট্রেইলিং করা যেতে পারে।
মানি ম্যানেজমেন্ট/লট সাইজঃ পোর্টফোলিওর ১৫-২০% বা ভলিউমের ৩% পর্যন্ত, যেটি কম।
রিস্ক টু রিউয়ার্ড রেশিওঃ নুন্যতম ১ঃ২ হতে হবে।
লেভারেজ/মার্জিন লোনঃ মার্জিন লোন ব্যবহার করা যেতে পারে তবে ১ঃ০.৫ এর বেশী না।
সতর্কতাঃ মার্কেট/স্টক নিজেই আপ ট্রেন্ডে থাকলে ব্রেকআউট ফেল করতে পারে।
বিস্তারিতঃ লেভেল-৩ তে দেখুন।
২২) রাউন্ডিং বটমঃ [বুলিশ] [রিভার্সাল]
আকৃতি/গঠণঃ
১) এর বটম দেখতে রাউন্ডিং
২) শুধু বিয়ারিশ ট্রেন্ডে দেখা যায়
সফলতার হারঃ এটা আমাদের মার্কেটে [ডিএসই-তে] কার্যকর।
ট্রেড এক্সিকিউশনঃ
সেটআপঃ বাই সেটআপ।
প্রস্তুতিঃ প্যাটার্ণ আগাম সনাক্ত ও ড্র করে ফলো করতে হবে।
ব্রেক আউট সম্ভাবনাঃ বুলিশ ব্রেক আউট।
ব্রেক আউট কন্ডিশনঃ প্যাটার্ণ + ভলিউম উভয় ব্রেক আউট।
বাইঃ আপ সাইডে ব্রেক করলে বাই। অন্যথায় নো একশন।
এসএলঃ ব্রেক আউট ফেল করলে/প্রাইস রিজেকশন হলে কুইক এসএল।
টিপিঃ রাউন্ড এর উচ্চতার সমান /অন প্রাইস রিজেকশন।
প্রফিট ট্রেইলিংঃ ইনডেক্স/স্টক নিজে স্ট্রং আপ ট্রেন্ডে থাকলে ট্রেইলিং করা যেতে পারে।
মানি ম্যানেজমেন্ট/লট সাইজঃ পোর্টফোলিওর ১৫-২০% বা ভলিউমের ৩% পর্যন্ত, যেটি কম।
রিস্ক টু রিউয়ার্ড রেশিওঃ নুন্যতম ১ঃ২ হতে হবে।
লেভারেজ/মার্জিন লোনঃ মার্জিন লোন ব্যবহার করা যেতে পারে তবে ১ঃ০.৫ এর বেশী না।
সতর্কতাঃ মার্কেট ডাউন ট্রেন্ডে থাকলে ব্রেকআউট ফেল করতে পারে।
বিস্তারিতঃ লেভেল-৩ তে দেখুন।
সতর্কতাঃ শুধু প্যাটার্ণ পড়ে ট্রেড করলে বিপদ আসতে পারে। ট্রেডিং এর জন্য পূর্ণাংগ ট্রেডিং স্ট্র্যাটেজির প্রয়োজন। সেজন্য দয়া করে লেভেল-৩ পড়ুন।