এই ব্লগটি সন্ধান করুন

স্ট্র্যাটেজি ব্যাক টেস্টিং

যে স্ট্র্যাটেজি আমারা বানালাম তা কতটুকু কার্যকর সেটা হিস্টরিক্যাল ডাটার উপর প্রয়োগ করে ফলাফল দেখাই হলো ব্যাক টেস্টিং। 

স্ট্র্যাটেজি আমরা দুইভাবে ব্যাক টেস্টিং করতে পারি- 

    ১) ম্যানুয়াল ব্যাক টেস্টিং এবং 
    ২) অটোমেটেড/কম্পিউটারাইজড ব্যাক টেস্টিং 

ম্যানুয়াল ব্যাক টেস্টিংঃ 
চার্টে ইন্ডিকেটর সেট করে চোখ দিয়ে খুঁজে খুঁজে এন্ট্রি এক্সিট পয়েন্ট নির্ধারণ করে প্রতিটি ট্রেডের জন্য ফলাফল তৈরী করে পরে তার সার সংক্ষেপ তৈরী করা। 
যেসব ফলাফল বের করতে  হবে তা হলো- 
বাই ডেট, শেয়ারের পরিমান, রেট, টাকার পরিমান, সেল ডেট, টাকার পরিমাণ, লাভ/ক্ষতি, লাভ/ক্ষতি %, কমিশন ইত্যাদি। এই ফলাফল গুলো টেবিল আকারে লিপিবদ্ধ করতে হবে। 

এর পর ফলাফল সামারাইজ করতে হবে - 
কত তারিখ থেকে কত তারিখ পর্যন্ত ব্যকটেস্টে করা হয়েছেঃ 
ইকুইটি কত ধরে ফলাফল বের করা হয়েছেঃ  
মোট কত টাকা প্রফিট হয়েছেঃ 
মোট কত টাকা লস হয়েছেঃ 
প্রফিট লস রেশিও কতঃ 
ট্রেডিং কমিশন মোট কত টাকা ঃ 
নেট প্রফিট/লস কত টাকাঃ 
নেট গেইন/লস % কতঃ 
টোটাল ট্রেড সংখ্যাঃ 
প্রফিটেবল ট্রেড সংখ্যাঃ
লুজিং ট্রেড সংখ্যাঃ 
প্রফিটেবল - লুজিং ট্রেডের অনুপাতঃ 
প্রফিটেবল ট্রেডের শতকরা হার কতঃ 
বাৎসরিক শতকরা ইনকাম কতঃ 
------------------- ইত্যাদি। 


অটোমেটেড/কম্পিউটারাইজড ব্যাক টেস্টিংঃ 
ম্যানুয়াল কাজটি হিস্টরিক্যাল ডাটার উপর কম্পিউটার দিয়ে করার নামই 
অটোমেটেড/কম্পিউটারাইজড ব্যাক টেস্টিং।  

এক্ষত্রে হিস্টরিক্যাল ডাটা কালেকশন করতে হবে যা এডজাস্টেড বা আনএডজাস্টেড হতে পারে। তবে আনএডজাস্টেড ডাটার উপর কাজ করলে অনেক ধরণের ভ্রান্তি দেখা দিতে পারে সেদিকে খেয়াল রাখতে হবে। 

এক্ষেত্রেও একই ফলাফল বের করতে হবে এবং একইভাবে সামারাইজ করতে হবে। 

কম্পিউটারাইজড ব্যকটেস্ট্রিং কম্পিউটারের যে কোন আধুনিক ল্যাঙ্গুয়েজ ব্যবহার করে করা যেতে পারে। তবে, পাইথন একটু বেশি সুবিধা দেয় কারণ পাইথনের প্রচুর ফ্রি টিএ লাইব্রেরী আছে এবং শেখাও সহজ।